লালমনিরহাট আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসটি দালালদের হাতে জিম্মি- সাধারণ জনগণ হয়রানীর শিকার

তন্ময় আহমেদ নয়ন, লালমনিরহাট: লালমনিরহাট আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসটি দালালদের হাতে জিম্মি,পাসপোর্ট প্রার্থীরা হয়রানীর শিকার।

অভিযোগে জানা গেছে, লালমনিরহাটে ২০১৩ সালে স্টেডিয়াম রোড সংলগ্ন আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসটি হওয়ার পর থেকেই স্থানীয় শাহ-আলম সহ দালাল চক্রের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে পাসপোর্ট প্রার্থীরা।
সরেজমিনে গেলে মাইদুল ইসলাম সহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক পাসপোর্ট প্রার্থীরা জানান,ফরম জমাদানের সময় মাসুদ নামের একজন কর্মচারি বিভিন্ন তথ্য ভূলের অযুহাত দেখিয়ে প্রতি ফরমে ১ হাজার থেকে ১২’শত টাকা উৎকোচ দিতে হয়।
ঐ পাসপোর্ট অফিসের কর্মচারীকে উৎকোচের টাকা না দিলে পাসপোর্ট প্রার্থীরা হয়রানির শিকার হয় মর্মে  সোমবার সাংবাদিকদের জানান। এ উৎকোচের টাকা গ্রহনকারী হিসেবে স্থানীয় শাহ আলম গং নামের দালাল নিয়োগ করা রয়েছে বলে একাধিক ব্যাক্তি জানান। পাসপোর্ট অফিস আঞ্চলিক কার্যালয় লালমনিরহাটের উপ-সহকারী পরিচালক এ কে এম মোতাহার হোসেন জানান, ২০১৮ ও ২০১৯ ইং সালের ফেব্রুয়ারী মাস পর্যন্ত ৭ হাজার ১শত ৯ জন পাসপোর্ট করেছে।
আর তথ্য গোপন করায় প্রায় ২৫০ জনের পাসপোর্ট আটকা পড়েছে।মিথ্যা তথ্য দানকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেয়ার কথা থাকলেও পাসপোর্ট অফিসের ক্ষেত্রে আইনের কোনো প্রয়োগ নেই বলে সংশ্লিষ্ঠ কর্মকর্তা মন্তব্য করেন। তবে অভিযোগে জানা যায়,পাসপোর্ট অফিসটি লালমনিরহাটে স্থাপিত হওয়ার পর থেকে কতিপয় দালালচক্র সরকারি ফি বাবদ অতিরিক্ত উৎকোচ নিয়ে অফিসটি দালালদের হাতে জিম্মি দশায় পরিণত করেছে।
সূত্র জানান, সাধারন পাসপোর্ট ফি ৩ হাজার ৪শত ও আর্জেন্ট পাসপোর্ট ফি ৬ হাজার ৯ শত টাকা সরকারী ফি বাদে অতিরিক্ত উৎকোচ দিতে হচ্ছে পাসপোর্ট প্রার্থীদের।
এমন ঘুষ দুর্নীতির ব্যাপারে উপ সহকারী পরিচালক এ কে এম মোতাহার হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ওই সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন।
এমতাবস্থায় সাধারন জনগন দূর্নীতি দমন কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এম কে ইসলাম/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category