পেঁয়াজ

ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধের দাবি কৃষকদের

কালের সংবাদ ডেস্ক:  মাস ঘুরতেই ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে সরকার। মার্চের আগেই আমদানি করা হবে দুই লাখ টন পেঁয়াজ। কৃষক ও আড়তদাররা বলছেন, সরকারের এমন উদ্যোগে পেঁয়াজ উৎপাদনে বড় ধাক্কা লাগবে।

কৃষকদের স্বার্থে আমদানি নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ দিয়েছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। তবে বাণিজ্য সচিবের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না কৃষকরা।

কথা ছিল কৃষক যেন নায্যমূল্য পায় সেজন্য মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানি করবে না সরকার। ভারত রপ্তানি বন্ধ করার পর পেঁয়াজের দাম হু হু করে বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এমনই ঘোষণা দিয়েছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। কিন্তু মৌসুম শুরুর আগেই পাল্টালেন সে অবস্থান।

কৃষক ও আড়তদাররা বলছেন, জানুয়ারি শেষ সপ্তাহ থেকে মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত প্রায় ১৫ লাখ টন দেশীয় পেঁয়াজ বাজারে আসবে। প্রতিমাসে পেঁয়াজের গড় চাহিদা ২ লাখ টন। আর রমজান মাসে লাগে আরো দুই লাখ টন। সেই হিসাবে দেশীয় পেঁয়াজ দিয়ে প্রায় আগস্ট মাস পর্যন্ত চলবে। তাই মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন কৃষক ও আড়তদাররা।

ক্যাব সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, ভারত যখন গরু রপ্তানি বন্ধ করল তখন বাংলাদেশের খামারিরা অধিক সংখ্যক গো সম্পদের উৎপাদন শুরু করল। পেঁয়াজের ক্ষেত্রেও এটা সম্ভব।

তবে আমদানির পক্ষেই সাফাই গাইলেন বাণিজ্য সচিব ড. মোহাম্মদ জাফর।

তিনি বলেন, মার্কেট স্টাডি করে যেভাবে এগোচ্ছি তাতে কৃষকের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কোনো অবস্থা নেই। আমদানি হলেও তারা ন্যায্য দাম পাবেন।

সরকারি হিসাবে দেশে বছরে পেঁয়াজের চাহিদা ২৪ লাখ টন বললেও বাস্তবে তা প্রায় ২৮ লাখ টন। উৎপাদন পরবর্তী ক্ষতি বাদে বছরে ১৮-১৯ লাখ টন দেশীয় পেঁয়াজ বাজারে আসে।

এস ইসলাম/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category