ভক্তি মানুষের জীবনে পূর্ণতা দান করে

উজ্জ্বল রায়,(নড়াইল): মানুষ অপরের কাছে ভালো থাকতে, স্বয়ং নিজেকে ঠকায়। অর্থাৎ মানুষ মনে মনে তার কুশক্তি ও পশুত্বকে ঠিকই লালন করে। আর লোকাচারের জন্য মিথ্যাচার করে। আর এই জন্যই প্রথমে কাউকে উত্তম মনে হলেও পরবর্তীতে তার থেকেই পশুবৃত্তি লক্ষ্যিত হয়। ভক্তি মানুষকে অন্তর থেকে শুদ্ধিলাভ দান করে। ঈশ্বরের প্রেম দ্বারা উপলদ্ধি করে, জগতের সমস্ত কিছুই অনিত্য আর এই রুপ-যৌবনও ক্ষনস্থায়ী। তাই এইগুলো দ্বারা অহংকার কিংবা এই গুলোর প্রভাবে অধর্ম করা বোকার ন্যায়।

পতি-পত্নী যখন এই জগতের অনিত্য জ্ঞানকে পরিত্যাগ করে, ঈশ্বরের নিত্য জ্ঞানকে হৃদয়ে লালন করে।তখন তাদের পবিত্র বন্ধন আত্মার মিলনে রুপ নেয়। যেটা স্বামী-স্ত্রীর জীবনের চরম স্বার্থকতা। আর এই জ্ঞান তাদের সমগ্র জীবন একসাথে কাটাতে সাহায্য করে। কারো প্রতি কখনও কোন প্রকার বিরক্তি এবং ক্ষোভ আসতে দেয়না। তারা উপলব্ধি করে, এই জগতে সুখ পেতে হলে সমস্ত পরিস্থিতিতে নিজেকে সন্তষ্ট মনে করতে হবে। কারন এই জগতে মানুষ কখনই কোন কিছুর প্রাপ্তি দ্বারা সন্তষ্ট হতে পারেনা বরং প্রাপ্তির পরে আরো আকাঙ্ক্ষা বেড়ে যায়।

তাই সমস্ত অবস্থায় সন্তষ্ট থাকাই সংসারে সুখ লাভ করার অন্যতম উপায়।ঈশ্বরের জ্ঞান সংসারে তাদের সুখী লাভ করে এবং তারা পরকালেও সুখী হয়। ভক্তি মানুষের হৃদয়কে পূর্ণতা দান করেন। মানুষ অপরের কাছে ভালো থাকতে, স্বয়ং নিজেকে ঠকায়। অর্থাৎ মানুষ মনে মনে তার কুশক্তি ও পশুত্বকে ঠিকই লালন করে। আর লোকাচারের জন্য মিথ্যাচার করে। আর এই জন্যই প্রথমে কাউকে উত্তম মনে হলেও পরবর্তীতে তার থেকেই পশুবৃত্তি লক্ষ্যিত হয়। ভক্তি মানুষকে অন্তর থেকে শুদ্ধিলাভ দান করে। ঈশ্বরের প্রেম দ্বারা উপলদ্ধি করে, জগতের সমস্ত কিছুই অনিত্য আর এই রুপ-যৌবনও ক্ষনস্থায়ী।

তাই এইগুলো দ্বারা অহংকার কিংবা এই গুলোর প্রভাবে অধর্ম করা বোকার ন্যায়। পতি-পত্নী যখন এই জগতের অনিত্য জ্ঞানকে পরিত্যাগ করে, ঈশ্বরের নিত্য জ্ঞানকে হৃদয়ে লালন করে। তখন তাদের পবিত্র বন্ধন আত্মার মিলনে রুপ নেয়। যেটা জীবনের চরম স্বার্থকতা। আর এই জ্ঞান তাদের সমগ্র জীবন একসাথে কাটাতে সাহায্য করে। কারো প্রতি কখনও কোন প্রকার বিরক্তি এবং ক্ষোভ আসতে দেয়না। তারা উপলব্ধি করে, এই জগতে সুখ পেতে হলে সমস্ত পরিস্থিতিতে নিজেকে সন্তষ্ট মনে করতে হবে।

কারন এই জগতে মানুষ কখনই কোন কিছুর প্রাপ্তি দ্বারা সন্তষ্ট হতে পারেনা বরং প্রাপ্তির পরে আরো আকাঙ্ক্ষা বেড়ে যায় তাই সমস্ত অবস্থায় সন্তষ্ট থাকাই সংসারে সুখ লাভ করার অন্যতম উপায়। ঈশ্বরের জ্ঞান সংসারে তাদের সুখী লাভ করে এবং তারা পরকালেও সুখী হয়। হরি বোল। রাস মেলা সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের উৎসব হলেও এখানে অসাম্প্রদায়িক চেতনার উন্মেষ ঘটে। অপরদিকে, শ্রীগীতায় ভগবান বলেছেন- কাম, ক্রোধ, লোভ নরকের দ্বার। কামঃ- কামকে ভগবান সর্বগ্রাসী বলে আখ্যা দিয়েছেন।

কাম থেকে ক্রোধ উৎপন্ন হয়, ক্রোধের ফলে বুদ্ধি নাশ হয়, আর বুদ্ধি নাশ হওয়ার ফলে তার সর্বনাশ হয়-গীতা। কাম বর্ষবর্তী হয়ে এক রমনীর দিকে দৃষ্টিপাত করায় মহাপ্রভু হরিদাস ঠাকুরকে নিজ পার্শ্বদ থেকে পরিত্যাগ করেছিলেন। ক্রোধঃ- ক্রোধ হচ্ছে তমোগুণের প্রতীক। ভগবান শ্রীগীতায় বলেছেন- তমোগুণ সম্পন্ন জীবদের আমি জন্ম জন্মান্তরে পশু যোনিতে নিক্ষেপ করি। আমরা যে ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন জীবন ধারন করবো মৃত্যুর পর কামনা-বাসনা অনুযায়ী আমরা সেরকমই একটা দেহ লাভ করবো।

তাই আমরা যদি কৃষ্ণ কেন্দ্রিক জীবন ধারণ করি তাহলে অন্তিমে আমরা কৃষ্ণকেই লাভ করবো, এতে কোন সন্দেহ নেই। লোভঃ- লোভ হচ্ছে ভক্তি পথে পতনের প্রথম ধাপ। লোভ থেকে জড় কামনা-বাসনার উদয় হয়। এই জড় কামনা-বাসনাগুলোই হচ্ছে জড় জগতের বন্ধনের মুল কারন। এর ফলে জন্ম জন্মান্তরে বার বার ঘুরে ঘুরে এই জড় জগতেই আমাদের ফিরে আসতে হবে। এমন জীবের ক্ষেত্রে ভগবৎধাম প্রাপ্তি প্রায় অসম্ভবই বলা চলে।

এস ইসলাম/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category