বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গুলোকে গুণগতমান বজায় রাখতে হবে

কালের সংবাদ ডেস্ক: সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, দেশে শতাধিক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও মাত্র ৩টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগ রয়েছে। ভাষা ও সাহিত্যের প্রতি অনুরাগ এবং হৃদয়ে ধারণ করে সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ চালু করেছে এবং দ্বিতীয় বারের মত সাহিত্য পুরস্কার ২০১৮ প্রদান করছে।

তিনি বলেন, এক্ষেত্রে এটি হতে পারে অন্যান্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য দৃষ্টান্তস্বরূপ। স্বনামধন্য এ বিশ্ববিদ্যালয় গুণগতমান বজায় রেখে পাঠদান করে চলছে। অন্যান্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমূহকেও গুণগতমান বজায় রাখতে হবে।

গতকাল (শ‌নিবার) বিকেলে রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত ‌‌সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য পুরস্কার ২০১৮ প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

প্রধান অতিথি বলেন, সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য পুরস্কার ২০১৮ প্রাপ্ত লেখক-সাহিত্যিকবৃন্দ সবাই জাতীয়ভাবে প্রথিতযশা ও স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব।পড়াশোনা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চা সব বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয়টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অন্যতম স্থান দখল করে আছে।

সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এন এম মেশকাত উদ্দীন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম, জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান, বিশিষ্ট ফোকলোর গবেষক ও কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান ও বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবিবুল্লাহ সিরাজী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য পুরস্কার ২০১৮-এর আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এম এ হাকিম।

উল্লেখ্য, সৃজনশীল ও মননশীল সাহিত্যে সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য পুরস্কার ২০১৮ পেয়েছেন যথাক্রমে বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন ও বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক আবুল মোমেন। অন্যদিকে সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় সাহিত্য পুরস্কার ২০১৮-এ আজীবন সম্মাননা পদকপ্রাপ্ত হয়েছেন ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।

সৃজনশীল ও মননশীল সাহিত্যে পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেক লেখককে ১ লাখ টাকা, সম্মাননা স্মারক, উত্তরীয় ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। অন্যদিকে আজীবন সম্মাননা পদকপ্রাপ্ত প্রত্যেক প্রথিতযশা সাহিত্যসেবীকে আজীবন সম্মাননা পদক, উত্তরীয় ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।

এম কে ইসলাম/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category