Monday, May 30th, 2022




বাংলাদেশেও শয়তানী অপ-শক্তিদের উন্থান হচ্ছে!

বাংলাদেশেও শয়তানী অপ-শক্তিদের উন্থান হচ্ছে!

রুম্মান আকবর :- ছবির একটিতে ( ডান পাশে নিচে ) যাকে দেখছেন ( হিন্দুস্তানের রাষ্ট্রপতির সাথে করমর্দন করছে ) তার নাম প্রিন্স ইয়াকুব হাবীবউদ্দিন তূসী, টোকানো ও চোরাইমাল সানজাক-ই-উসমানের লেখকের মতো এ-ও নিজেই নিজেকে প্রিন্স ঘোষণা করেছে।

এই ব্যক্তিকে হিন্দুস্তানের অনেকেই চিনে, এ হিন্দুস্তান সরকার কর্তৃক ঘোষিত তাইমূরী ( মোগল ) সম্রাটদের ‘বংশধর’! যদিও এ আদৌ তাইমূরী সম্রাটদের বংশধর নয়! শেষ সম্রাট ২য় বাহাদূর শাহ্’র ২য় পুত্র ছিলেন গোলাম ফাখ্র-উদ-দ্বীন মীরজাঁহ্। তিনি ফাখরু মীরজাঁহ্ নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন। তার শশুর ছিলেন মীরজাঁহ্ ইলাহী বাখশ্। এই ইলাহী বাখশ্-ই তৎকালে পরিচিত ছিলেন ‘দিল্লী-কা-গাদ্দার’ নামে! কারণ এই ব্যক্তিই স্বাধীনতা সংগ্রাম নষ্ট করার পেছনে দায়ী!

এই ব্যক্তিই বাখ্ত খানের সাথে সম্রাটকে যেতে দেননি! ও এই ব্যক্তিই বিনা যুদ্ধে আত্নসমর্পনে সম্রাটকে রাজী করান। ইনি ছিলেন কুখ্যাত মেজর হাডসনের খুবই কাছের মানুষ, অর্থাৎ এই ইলাহী বাখ্শ ছিলেন ব্রিটিশদের গুপ্তচর। এই ইলাহী বাখ্শের বংশ দিল্লী থেকে হায়দারাবাদে চলে এলে নিজাম বাহাদূরের জনৈক মন্ত্রীর সাথে দিল্লীর গাদ্দারের বংশধরের বিয়ে । মাতুলকুলের দিক দিয়ে দিল্লীর গাদ্দার ও পিতৃকুলের দিক দিয়ে নিজামের মন্ত্রীর বংশধর এই তূসী। মূর্খদের হাতে ইতিহাস পরলে যা হয়, তার নগ্ন উদাহারণ এই তূসী। হিন্দুস্তান সরকার তাইমূরী সম্রাটের ছেলের শশুড়ের বংশধর ( তাও আবার মায়ের দিক থেকে ) কে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেয়।

আপনি জানেন কি এই লোকের তাজ মাহালের ভূগর্ভে যাওয়ারও অধিকার আছে??? যেখানে শাহ্ জাহান ও মূমতাজ মাহাল শায়িত আছেন! এই লোকই বাবুরী মাসজিদকে রাম মন্দিরের জন্য দিয়ে দেয়ার ঘোষণা করেছিলো এবং রাম মন্দিরের জন্য সোনার ইট দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে!!!! এবারে বুঝেছেন একেই কেন হিন্দুস্তান সরকার স্বীকৃতি দিয়েছে? আর গণমাধ্যম হাতে থাকলে কি হয় সেটাও কি বুঝেছেন? ঠিক এটাই বাংলাদেশেও হচ্ছে আপাতদৃষ্টিতে চরম ইতিহাস বিকৃতিকারি ইউটিউবার সালাউদ্দিন সুমন ও মানস বাবু এবারে এক হয়েছে, জোট বেঁধেছে!

এদের কাজগুলো স্পষ্টতঃ সৈয়দ গোলাম আব্বাস আরেব ওরফে নওয়াবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলার বিরুদ্ধে! আমি বাংলার নব্য দু’জন ষড়যন্ত্রকারী জোটের এই সক্রান্ত ভিডিওগুলোই খুব মন দিয়ে দেখি। সুমন ভারতে সাম্প্রতি গিয়েছে দেখলাম, ওর উদ্দেশ্য হিন্দুস্তানি অপ-শক্তির সাথে সখ্যতা করে এক ( সুমন + মানস = শক্তিশালি অপ-শক্তি ) শয়তানী শক্তিতে রুপান্তরিত হওয়া, আর এই দুষ্ট শক্তি তথা শয়তানী শক্তির জোট যুগ্ম ভাবে বাংলার তাজ নওয়াব সিরাজ-উদ-দাওলাহ-র প্রকৃত রক্তধারা নওয়াবজাদা আব্বাসউদ্দৌলার বিরুদ্ধে তথা বাংলার দেশপ্রেমী সততা ও ন্যায়ের পথে চলা মুসলিম সন্তানের বিরুদ্ধে কাজ করে নমষ্কার দেয়া, আর হোলি খেলা কাউকে নওয়াব সিরাজ-উদ-দাওলাহ-র ওয়ারিশ হিসেবে দাঁড় করানোই ওদের মূল উদ্দেশ্য- ঠিক তূসীর মতোই! অনেকেই বলছেন বাদশাহ্ দাঊদ শাহ্’র বংশধর His Imperial Highnessকে সামনে আনার জন্য। কিন্তু আমি খুবই দৃঢ়তার সাথে এ ব্যাপারে মুখবন্ধ রেখেছি।

কেন জানেন? নওয়াবজাদা আরেবের দিকেই তাকিয়ে দেখুন! সুমনের গর্দভ সমর্থকেরা নওয়াবজাদার fb ওয়ালে যেয়েই উনাকে মীর জা’ফারের বংশধর বলে নোংরা সব গালি গালাজ দিয়ে আসে!!!! অথচ নওয়াবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলার ওয়ারিশত্ব সন্দেহাতীত ও প্রমাণিত। ২০২১ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে একের পর এক ঝাঁকে ঝাঁকে কাকের মতো কা- কা- কা- করে নওয়াব সিরাজের ওয়ারিশ বেড় হচ্ছিলো!

আপাতত এখন বাংলার দুই শয়তানী অপ-শক্তি ( সুমন + মানস ) কিছুটা শান্ত রুপ দেখাচ্ছে, কারন এখন গোপন অভিযান চলছে নওয়াব সিরাজ-উদ-দাওলাহ-র প্রকৃত ওয়ারিস বাংলার নূর আপনার আমার বাংলার আপনজন আমাদের সন্তান নওয়াবজাদা আব্বাসউদ্দৌলাকে নিয়ে! এর পর শুরু হবে শয়তানী শক্তির ভয়ঙ্কর সব হোলি খেলা, তারা একের পর এক আচমকা আঘাত হানবে বাংলার প্রিয়জন নওয়াবজাদা আব্বাসউদ্দৌলার ওপর ! তাঁকে ক্ষত বিক্ষত করে চিরতরে দমিয়ে দেবার মহা-পরিকল্পনায় বেস্ত বাংলার দুই অপ-শক্তি ( সুমন + মানস= শয়তানের পুনর্জন্ম )।

যাইহোক সকলকে মনে রাখতে হবে ইতিহাস কথা কয়। আল্লাহর শক্তির আগে সকলকে নত হতে হয়। বন্ধুরা নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন তাহলেই তূসীর ভন্ডামীর প্রমাণ ভিডিওতে দেখতে পাবেন- https://www.youtube.com/watch v=unhRkna8sfo&t=148s।

আর সানজান-ই-উসমানকে কেন টোকানো মাল বল্লাম, তার কারণ ও প্রমাণ পাবেন নিচের লিঙ্কের ভিডিওতে- https://www.youtube.com/watch?v=OqLSn7sBZOY&t=57s লেখক :- ( ইতিহাস ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক,ঢাকা বাংলাদেশ )।

এস রিমন/

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category