নড়াইলের ঋষি সম্প্রদায় সরকারি অনুদান না পেয়ে প্রায় ২০ মাইল পায়ে হেঁটে বিশাল মানববন্ধন

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল: নড়াইল ঋষি সম্প্রদায়ের মানুষ সরকারি অনুদানের চাল-ডাল, তেল কিছুই পায়নি তারা  মানববন্ধন করে নড়াইল শহরে এলেন ঋষি সম্প্রদায়ের কিছু মানুষ ক্ষুধা নিবারণের জন্য প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে প্রায় ২০ মাইল হেঁটে তারা শহরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। বেঁচে থাকার জন্য খাবার দেওয়ার আকুল আবেদন জেলা শহর থেকে অনেক দূরে সদর উপজেলার কলোড়া ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড। সেখান থেকে হেঁটে নড়াইল শহরে এলেন ঋষি সম্প্রদায়ের কিছু মানুষ। তাদের অভিযোগ, বর্তমান পরিস্থিতিতে কাজ করতে না পেরে তারা অনাহারে আছেন। অথচ সরকারি ত্রাণ পাচ্ছেন না। জেলা প্রশাসক জানানো ছাড়াও প্রান্তিক এই জনগোষ্ঠীর সদস্যরা বুধবার দুপুরে নড়াইল   মানববন্ধনও করেন। জেলা প্রশাসক অভিযোগ পাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বেলা সাড়ে ১২টায় নড়াইল প্রেসক্লাবের সামনে ঋষি সম্প্রদায়ের সদস্যরা মানববন্ধন করে। ওই সময় বক্তব্য দেন সুধির, দুলাল, অনুপ, বিকাশ, গোলকসহ কয়েকজন। তারা অভিযোগ করেন, সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী তারা ঘরেই রয়েছেন। পেশাগত কাজ কাজ বন্ধ, তাই আয়-রোজগারও নেই।কিন্তু সরকারি অনুদানের চাল-ডাল, তেল কিছুই পায়নি কলোড়া ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের ঋষি সম্প্রদায়ের ২৭ পরিবার। স্থানীয় মেম্বরকে জানালে তিনি বলেছেন, ‘তোমাদের দেওয়া সম্ভব না।’

বলেন, ক্ষুধাজেলা শহর থেকে অনেক দূরে সদর উপজেলার কলোড়া ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড। সেখান থেকে হেঁটে নড়াইল শহরে এলেন ঋষি সম্প্রদায়ের কিছু মানুষ। তাদের অভিযোগ, বর্তমান পরিস্থিতিতে কাজ করতে না পেরে তারা অনাহারে আছেন। অথচ সরকারি ত্রাণ পাচ্ছেন না।
জেলা প্রশাসক জানানো ছাড়াও প্রান্তিক এই জনগোষ্ঠীর সদস্যরা বুধবার দুপুরে নড়াইল মানববন্ধনও করেন।

জেলা প্রশাসক অভিযোগ পাওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বেলা সাড়ে ১২টায় নড়াইল ঋষি সম্প্রদায়ের সদস্যরা মানববন্ধন করে। ওই সময় বক্তব্য দেন সুধির, দুলাল, অনুপ, বিকাশ, গোলকসহ কয়েকজন। তারা অভিযোগ করেন, সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী তারা ঘরেই রয়েছেন। পেশাগত কাজ কাজ বন্ধ, তাই আয়-রোজগারও নেই। কিন্তু সরকারি অনুদানের চাল-ডাল, তেল কিছুই পায়নি কলোড়া ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের ঋষি সম্প্রদায়ের ২৭ পরিবার। স্থানীয় মেম্বরকে জানালে তিনি বলেছেন, ‘তোমাদের দেওয়া সম্ভব না।’

বলেন, ক্ষুধা নিবারণের জন্য প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে প্রায় ২০ মাইল হেঁটে তারা শহরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। বেঁচে থাকার জন্য খাবার দেওয়ার আকুল আবেদন জানান তারা। একই সঙ্গে তারা সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের বিচারও চান। তবে এই বিষয়ে স্থানীয় মেম্বারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। পর্যায়ক্রমে সবাই সরকারি অনুদান পাবে। যারা এখন পর্যন্ত অনুদান পায়নি, তাদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে।’ নিবারণের জন্য প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে প্রায় ২০ মাইল হেঁটে তারা শহরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। বেঁচে থাকার জন্য খাবার দেওয়ার আকুল আবেদন জানান তারা। একই সঙ্গে তারা সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের বিচারও চান।

তবে এই বিষয়ে স্থানীয় মেম্বারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। পর্যায়ক্রমে সবাই সরকারি অনুদান পাবে। যারা এখন পর্যন্ত অনুদান পায়নি, তাদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে।

এস ইসলাম/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category