কবিতা- নন্দিনী, কবি - আঃ কাইয়ুম

নন্দিনী

কবি – আঃ কাইয়ুম

——————

এই মেয়ে শুনো, তুমি নাকি স্বর্ণ দ্বীপের অলংকার।

এতো দামি তুমি, কে দিবে তোমায় উপহার।

আমি যাবো (২) তোমায় নিতে,

যে নাকি তোমায় উপহার হিসেবে তুলে দিবে।

আমি যাবো সেই স্বর্ণ দ্বীপে

তুমি নাকি সেখানেই থাকো,

যুদ্ধ শুরু করবো আমি স্বর্ণ দ্বীপে

তোমাকে জয় করে নিয়ে আসবো আমি

হারবো নাকো এ আমার বিশ্বাস,

তুমি যদি মনে করো,

তোমায় স্বর্ণ দ্বীপ থেকে নিয়ে আসবো ?

তবেই আমি ধন্য।

তুমি স্বর্ণ দ্বীপের অলংকার

তোমায় একটা নাম দিয়েছি,

নন্দিনী, কি নামটা সুন্দর না ?

আমি তোমায় অলংকার বলে ডাকতে পারবো না

আমি তোমায় নন্দিনী বলে ডাকবো।

তুমি সারা দিবে না ? হুম ! জানি দিবে।

চল এবার শুরু করি প্রেমের গল্প,

তুমি আর আমি ইতিহাস তৈরি করি

ডায়েরির পাতায় লিখে রাখি হাতেখড়ি।

নন্দিনী তুমি খুশি হবে না, বল না ?

আচ্ছা, তুমি চলে যাবে না তো ?

ঠিক আছে, তুমি লজ্জা পাচ্ছো।

আরে বোকা, তুমি আর আমিই তো, লজ্জা কিসের।

এখন তো তুমি আমার দ্বীপের অলংকার

তুমি আমার অলংকার, আমার নন্দিনী।

একটু হাসো, হাসো।

বাহ! কি চমৎকার তোমার হাসি।

আমি তোমায় বিষণ ভালবাসি।

আমার অলংকার, আমার নন্দিনীকে।

তুমি ঘুরতে যাবে, চল না ঘুরে আসি

অচেনা এক পথ দিয়ে, হেঁটে হেঁটে যাবো বহুদূর।

যেখানে কেউ খুঁজে পাবে না আমাদের।

আমাদের দুজনের প্রেম দেখে আকাশ,বাতাস,

সমুদ্র, নদী, রাস্তাসহ মাতোয়ারা হয়ে যাবে।

আমরা এমন এক শহরে যাবো

সেই শহরটা হবে আমাদের দুজনের।

শহরটার একটা নাম দিবো, প্রেমের শহর।

এই শহরে তোমার শান্তি হবে কি না জানি না

কারন, তুমি তো অট্রালিকা থেকে অভ্যস্ত

আমার সাথে কুড়েঘরে কি সুখ পাবে ?

জানি, আমি তোমায় সুখ দিতে পারবো না

শুধু পবিত্র ভালবাসা টুকু দিতে পারবো।

এতে তুমি খুশি হলে, আমিও খুশি

হাসলে মনে করবো তুমি খুশি,

হাসো, হাসো, হাসো

আমি কিন্তু চলে যাবো,

ঠিক আছে চললাম এই,

বাহ! কি চমৎকার হাসি,

আসো আমার বুকে আসো।

আহ! কি সুখ। ভালবাসায় এতো সুখ।

আমার দীপের অলংকার আমার নন্দিনী

আমি তোমায় অনেক ভালবাসি গো।

 

এম কে ইসলাম/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category