Wednesday, November 18th, 2020




নওগাঁয় ৫ হাজার ৮২০ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ করেছেন কৃষকরা 

নওগাঁয় ৫ হাজার ৮২০ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ করেছেন কৃষকরা 

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, নওগাঁ: নওগাঁ জেলার বিভিন্ন বাজার গুলোতে ব্যাপকহারে শীতকালীন শাকসবজির আমদানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথেই তুলনামূলক ভাবে কমতেও শুরু করেছে সবজির বাজার দর। তবে বিগত বছরের থেকে এখনো চড়া মূল্যেই কেনাবেচা হচ্ছে এখনো বলেই জানিয়েছেন সাধারন ক্রেতারা।

নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে চলতি শীত মৌসুমে নওগাঁয় ৫ হাজার ৮২০ হেক্টর জমিতে শীতকালিন সবজিরচাষ করেছেন কৃষকরা।

কৃষকদের জমিতে চাষকৃত এসব সবজি ইতিমধ্যেই বাজারে তুলতে শুরুও করেছেন কৃষকরা যার কারনে বিগত কয়েক দিনের তুলনায় বাজারে সবজির দাম কমতে শুরু করেছে।

জেলার বিভিন্ন হাটবাজার সহ নওগাঁ শহরের প্রধান কাঁচা বাজার, মুক্তিরমোড় বাজার, দয়ালের মোড় বাজার, সদর উপজেলা পরিষদ বাজার, বাস টার্মিনাল বাজার, বিহারী কলোনী বাজারসহ দয়ালের মোড় বউ বাজার ও পার-নওগাঁ খলিফাপাড়া বউবাজার এবং আত্রাই উপজেলার সাহেবগঞ্জ, বিহারীপুর মুক্তিযোদ্ধাবাজার, আহসানগঞ্জহাট, মির্জাপুর, সমসপাড়া হাট, মহাদেবপুর উপজেলার চৌমাশিয়া (নওহাটামোড়) বাজার, সরস্বতীপুরহাট ও চকগৌরীহাট সহ জেলার বিভিন্ন অলিগুলির ছোট বড় হাট বাজারগুলোতে শীত কালিন সবজিতে ভরপুর । আমদানী বেশি হওয়ার সাথে সাথে এসব সবজির দামও কমতে শুরু করেছে।

নওগাঁ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, নওগাঁ জেলায় চলতি শীত মওসুমে মোট ৮ হাজার ৮২০ হেক্টর জমিতে শাকসবজি চাষের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরমধ্যে সদর উপজেলায় ১ হাজার ১৫০ হেক্টর, রানীনগর উপজেলায় ২১০ হেক্টর, আত্রাউ উপজেলায় ৩৭৫ হেক্টর, বদলগাছি উপজেলায় ১ হাজার ১৬৫ হেক্টর, মহাদেবপুর উপজেলায় ১ হাজার ২০০ হেক্টর, পত্নীতলা উপজেলায় ৭২০ হেক্টর, ধামইরহাট উপজেলায় ১ হাজার ৩১৫ হেক্টর, সাপাহার উপজেলায় ৪৬৫ হেক্টর, পোরশা উপজেলায় ৩৬০ হেক্টর, মান্দা উপজেলায় ১ হাজার ২৪৫ হেক্টর এবং নিয়ামতপুর উপজেলায় ৬১৫ হেক্টর। এসব জমি থেকে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৪০ মেট্রিক টন শাকসবজি উৎপাদিত হবে বলে আশাব্যাক্ত করছেন কৃষি বিভাগ, নওগাঁ।

কৃষি বিভাগের হিসেব অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ৩৫০ হেক্টর জমিতে লালশাক, ১৩০ হেক্টর জমিতে সবুজশাক, ৩২০ হেক্টর জমিতে পালংশাক, ১৫০ হেক্টর জমিতে পুঁইশাক, ১২০ হেক্টর জমিতে কলমীশাক, ৪৮০ হেক্টর জমিতে মুলা।

এছাড়া ৩২০ হেক্টর জমিতে বাঁধাকপি, ৩৯০ হেক্টর জমিতে ফুলকপি, ৯০ হেক্টর জমিতে গাজর, ৩৮০ হেক্টর জমিতে করলা, ৩৮০ হেক্টর জমিতে শসা, ১০০ হেক্টর জমিতে খিরা, ৮২০ হেক্টর জমিতে বেগুন, ১০০ হেক্টর জমিতে বরবটি, ২১৫ হেক্টর জমিতে মিষ্টি কুমড়া, ২৬৫ হেক্টর জমিতে টমেটো, ৯০০ হেক্টর জমিতে শিম এবং ৩৩০ হেক্টর জমিতে লাউ উৎপাদন (চাষ) হয়েছে।

এস ইসলাম/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category