Monday, October 19th, 2020




নওগাঁয় হলুদের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন,নওগাঁ: নওগাঁয় চলতি বছরে হলুদের বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকের মুখে ফুটে উঠেছে আনন্দের হাসি। অন্যান্য ফসলের চেয়ে অধিক লাভজনক হলুদ চাষ। হলুদএক বছর মেয়াদি ফসল হলেও অল্প জমিতে কম খরচে হলুদ চাষ করা সম্ভব। এ ফসলে গরু, ছাগল ও পোকা-মাকড়ের কোনো উপদ্রব নেই বলেই কৃষকরা জানিয়েছেন। এমনকি অফসলি বা পরিতাক্ত জমিতে হলুদের চাষও ভালো হয়। জানা যায়, এ বছরে প্রতি শতকে দেড় থেকে দুই মণ পর্যন্ত হলুদের ফলন হয়েছে।

সূত্র মতে, চলতি মৌসুমে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার ৩৮০ হেক্টর জমিতে হলুদ চাষ হয়েছে।  উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নের মধ্যে সফাপুর,খাজুর,হাতুড় ও ভীমপুর ইউনিয়নে হলুদের চাষ তুলনা মূলক অনেক বেশি।

হলুদচাষী রাইহান জানান, বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত ৮০ শতক জমিতে হলুদ চাষ করেন। চলতি বছরেই ১৫ হাজার টাকা ব্যয়ে ঐ জমিতে হলুদ ফলন হয়েছে ১৬০ মণ। বাজারে মণপ্রতি (কাঁচা হলুদ) সাড়ে ৫শ থেকে ৬শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে বলেও জানান তিনি। তিনি হলুদ চাষ করে প্রায় ৯০ থেকে ৯৬ হাজার টাকা পান। উপজেলার হাতুড়ের হলুদ চাষী ইরাফিল,ওমর ফারুক সহ কয়েকজন কৃষক জানান, কম খরচে (পরিত্যক্ত জমিতে) অন্যান্য ফসলের তুলুনায় হলুদ চাষ করে চারগুণ লাভ হয়েছে। এদিকে খাজুর ইউনিয়নের কৃষক আবেদ আলী বলেন, আমি ৬০ শতক জমিতে হলুদ চাষ করে ৯৫ মণ হলুদ পেয়েছি। মহাদেবপুর উপজেলা জুড়ে হলুদের বাম্পার ফলনের একই চিত্র।

মহাদেবপুর উপজেলা কৃষি অফিসার উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা ওসমান আলী বলেন, গত বছরের তুলনায় এবারে হলুদের ফলন হয়েছে অনেক বেশি। শুধুমাত্র হলুদ রোপণের সময় পটাশ ও ইউরিয়া পরিমাণমতো ব্যবহার করলে এ ফসল তোলা পর্যন্ত আর কোনো খরচ নেই। তবে অকৃষি জমিতেও হলুদের চাষ ভালো হয়। ভীমপুর ইউনিয়নের দায়িত্বরত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান জানান, কৃষকদের অফসলি বা পরিত্যাক্ত জমিতেও হলুদ চাষ করেছেন কৃষকরা।

এস ইসলাম/ 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category