ডুবে যাওয়া কার্গো ও লঞ্চের স্থান শনাক্ত এবং নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান শুরু

তানজীম আগমেদ, বাগেরহাট: কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়ে সুন্দরবনের পশুর নদীতে ডুবে যাওয়া সারবাহী কার্গো “এম ভি হারদ্দা” এবং এমএল আক্তার লঞ্চের স্থান শনাক্ত ও নিখোঁজ দুইজনকে উদ্ধারে অভিযান শুরু হয়েছে।

বুধবার সকালে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ নৌ বাহিনী, কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিস যৌথভাবে অভিযান শুরু করেছে। তবে ডুবে যাওয়া কার্গো ও ল কোথায় আছে তা নির্দিষ্ট করতে পারেনি অনুসন্ধানকারীরা। কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের স্টাফ অফিসার অপারেশন লে. জোসেল রানা বলেন, কার্গো ডোবার খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাতেই আমরা স্পিড বোট নিয়ে ঘটনাস্থল পশুর নদীর সুগির খাল পরিদর্শন করেছি। সকালে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ নৌ বাহিনী, কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিস যৌথভাবে অভিযান শুরু করেছি।

অভিযান শুরুর সময় আমরা কার্গোর লাইফ বয় ও উপর থেকে নিচে নামার সিড়ি দেখতে পেয়েছি। ডুবে যাওয়া স্থান অত্যাধিক গভীর ও রাত অনেক বেশি হওয়ায় কার্গো ও লঞ্চের অবস্থান এখনও শনাক্ত করতে পারিনি। এখন পর্যন্ত দুইজন নিখোজ রয়েছে। নিখোজদের উদ্ধারে আমরা চেষ্টা করছি। বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক সরদার মাসুদ বলেন, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরীরা নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান শুরু করেছে। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমডোর

এ কে এম ফারুক হাসান বলেন, ঝড়ের কবলে পড়ে শ্রমিক বহনকারী একটি ল ও সারবাহী একটি কার্গো ডুবে যায়। ল ও কার্গোর ডুবে যাওয়া স্থান সনাক্তে অভিযান শুরু করা হয়েছে। তবে নৌ যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। মঙ্গলবার (৯ এপ্রিল) রাতে মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলে এমএল আক্তার নামে একটি ল এবং এমবি হারদ্দা নামের একটি টিএসপি সারবাহী একটি কার্গো ডুবে যায়। এসময় জাহাজ ও লে থাকা শ্রমিক কর্মচারীরা সাঁতরিয়ে সুন্দরবনে আশ্রয় নিতে পারলেও, তিনজন গার্ড নিখোঁজ ছিল। পরবর্তীতে দুইজনকে পাওয়া যায়।

এখন পর্যন্ত ডুবে যাওয়া লঞ্চটির মো. শাহ আলম (৪৫) এবং কার্গো এমভি হারদ্দার জুয়েল নামে একজন নিখোঁজ রয়েছেন।

এম কে ইসলাম/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category