ঠাকুরগাঁওয়ে সর্বমহলের স্বচ্ছ ব্যক্তিত্ব নজমুল হুদা শাহর নেতৃত্ব

হাসনাত রুমান,(ঠাকুরগাঁও): নজমুল হুদা শাহ এ্যাপোলো। যিনি ঠাকুরগাঁওয়ের সর্বমহলে স্বচ্ছ ব্যক্তিত্ব ও প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর হিসেবেই বেশ পরিচিত একজন মানুষ। রাজনীতির পাশপাশি তিনি একজন ক্রীড়া সংগঠক। এছাড়াও তিনি একজন সফলকামী ব্যবসায়ী, প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার। নিঃস্বার্থে তিনি অহসায় মানুষদের সহযোগিতাও করেন সবসময়। স্বচ্ছ ও প্রতিবাদী এই মানুষটিকে নিয়ে একটি কুচক্রি মহল নানা ভাবে ষড়যন্ত্র করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

নজমুল হুদা শাহ এ্যাপোলো ঠাকুরগাঁও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি। রাজনৈতিক অঙ্গনে তাকে একজন স্বচ্ছ মনের অধিকারী মানুষ হিসেবেই সবাই চিনে।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান নজমুল হুদা শাহ এ্যাপোলো। প্রাইমারী স্কুল থেকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে বড় হয়েছেন তিনি।

হাই স্কুল থেকে সম্পৃক্ত হন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে। ছাত্র রাজনীতি থেকে গড়ে ওঠা এই নেতা ১৯৮৭ সালে ঠাকুরগাঁও সদর থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ৯০’র দশকের এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম একজন ছাত্রনেতা ছিলেন তিনি। ১৯৯১ সালে জাতীয় পরিষদ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন। এরপর তিনি আরও সক্রিয়ভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন।

২০১৭ সালে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর থেকে তিনি দলকে চাঙ্গা করতে মাঠ পর্যায়ে কাজ করেই চলেছেন। ইতিমধ্যে তারই নেতৃত্বে জেলায় শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে রূপ নিয়েছে স্বেচ্ছাসেবক লীগ। সৎ পরিচ্ছন্ন কর্মীবান্ধব নির্লোভ জননেতা হিসেবে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ে বন্ধু মহল থেকে শুরু করে সর্বমহলেই বেশ পরিচিত একজন মানুষ।

এছাড়াও এ্যাপোলো একজন ক্রীড়া সংগঠক। ছোটবেলা থেকেই তিনি নিজেকে সম্পৃক্ত করেন খেলাধুলায়। তিনি জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও ফুটবল এ্যাসোসিয়েশনের সদস্য। ঠাকুরগাঁও ১ম বিভাগ ক্রিকেট লীগে নর্থ স্টার ক্লাবকে নেতৃত্বে দিয়ে জেলায় প্রথম চ্যাম্পিয়ন কাপ এ্যাপালোর হাত ধরেই অর্জন করে ঠাকুরগাঁওবাসী।

তিনি নর্থ স্টার ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও খেলোয়াড়। তিনি মাসুম ব্যাডমিন্টন অর ক্লাবের সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। ২০০৬ সালে আধুনিক যন্ত্রাংশ নিয়ে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ে প্রতিষ্ঠা করেন ‘ফিট স্মার্ট জিম। সবসময় তিনি ক্রীড়াপ্রেমীদের মাঝে বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া সামগ্রী দিয়ে সহায়তা করে আসছেন।

তিনি একজন প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার। পাশপাশি রয়েছে তাঁর স্প্রিং গার্ডেন নামের একটি রেস্টুরেন্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও তিনি প্রভাত টুরস ট্রাভেলস এর স্বত্তাধিকারী। এ্যাপোলো জেলা চেম্বার অব কমার্স এর নির্বাচিত পরিচালক।বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০২১, ২০৪১ ও ২১০০ বাস্তবায়নে বদ্ধ পরিকর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নজমুল হুদা শাহ এ্যাপোলো। সেই লক্ষ্যেই তিনি নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি দেশকে দেখতে চান, উন্নত বিশ্বের কাতারে জঙ্গিমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত সোনার বাংলাদেশ হিসেবে।

জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান বাবু বলেন, এ্যাপোলো একজন ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ। ছোট বেলা থেকে তাকে দেখে এসেছি খেলাধুলায় মগ্ন থাকতে। স্বচ্ছ মন মানষিকতার একজন ব্যক্তিত্ব সে। তার মাধ্যমেই প্রথম চ্যাম্পিয়ন কাপ অর্জন করে ঠাকুরগাঁওবাসী। এ রকম মানুষ থাকলে সমাজে পরিবর্তন আসবেই।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট জেলা শাখার সভাপতি অনুপম মনি বলেন, এ্যাপোলো মানেই স্বচ্ছ ব্যক্তিত্ব ও প্রতিবাদী একজন মানুষ। খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সাথে তার পদচারণা রয়েছে ব্যাপক। নিঃসন্দেহে মানুষটি ভালো।শিক্ষাবিদ মনতোষ কুমার দে বলেন, শিক্ষা অনুরাগী মানুষ হিসেবে এ্যাপোলো বেশ ভালো একজন মানুষ। তার সার্বিক কর্মকান্ড সবাইকে সচেতন করে। তার মত মানুষ সমাজের প্রত্যেকটি জায়গায় খুবই প্রয়োজন। তাহলে সমাজের ত্রুটি গুলো আর থাকবে না।

সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াফু তপু বলেন, এ্যাপালো ভাই ক্লিন ইমেজের সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি ও খুবই পরিশ্রমী একজন মানুষ। খুবই সাধারণ চলাফেরা করেন সকলের সাথে। ছাত্র রাজনীতি থেকে গড়ে ওঠা এই নেতা কখনও অন্যায়ের সাথে আপোষ করেননি।

ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ সাদেক কুরাইশী বলেন, দেশ স্বাধীনের পর থেকেই আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার জন্য একটি মহল ষড়যন্ত্র করেই যাচ্ছে। তারাই আ.লীগের স্বচ্ছ নেতা-কর্মীদের নামে নানা ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে। যাতে স্বচ্ছ নেতৃবৃন্দকে দল থেকে বাদ দিয়ে আ.লীগ বড় একটা সমস্যার সম্মুখিন হয়। ঠিক তেমনিই এ্যাপোলো ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে। এসব ষড়যন্ত্রকারীদেরকে কঠোর ভাবে দমন করতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

এস ইসলাম/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category