০৯৮৭৮৭৬৫৪৩২

জামালপুরে যুবলীগ সভাপতিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

মেহেদী হাসান, (জামালপুর): সরকারি কাজে দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশের ট্রাফিক সার্জেন্ট ও কনস্টবলকে মারধরের অভিযোগ এনে জামালপুর জেলা যুবলীগের সভাপতি রাজন সাহা রাজুসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ মনিরুজ্জামান সাজন (১৯) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। মামলাটি দায়ের করেছে জামালপুর সদর ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট আব্দুল্লাহ আল মামুন।

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সালেমুজ্জামান মামলার নথির বরাত দিয়ে জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৫টা ২০ মিনিটে শহরের মধুপুর রোড থেকে নম্বর বিহীন একটি মোটর সাইকেলে মনিরুজ্জামান সাজন, শাকিল ও রিয়াদ নামে তিন যুবক দয়াময়ী রোডের দিকে যাচ্ছিল। শহরের গেইপাড় ট্রাফিক বক্সের সামনে কর্তব্যরত সার্জেন্ট আব্দুল্লাহ আল মামুন সিগন্যাল দিয়ে মোটর সাইকেলটি থামান। পরে কাগজপত্র দেখতে চান এবং মাথায় হেলমেট নাই কেন জিঞ।জাসা করেন।

এ ঘটনায় উত্তেজিত হয় এবং বিভিন্ন জনকে টেলিফোন করতে থাকে। জেলা যুবলীগের সভাপতি রাজন সাহা রাজু টেলিফোনে মোটর সাইকেলটি ছেড়ে দিকে ববলেন। ঘটনার ১০/১৫ মিনিট পর জেলঅ যুবলীগের সভাপতি রাজন সাহা রাজুর নেতৃত্বে ১৫/২০ জন ট্রাফিক বক্সেও সামনে উপস্থিত হয়। এক পর্যায়ে তারা সার্জেন্ট আব্দুল্লঅহ আল মামুন ও কনস্টবল যোবায়েরকে কিলঘুষি মারে। আহত দুই পুলিশকে বৃহস্পতিবার রাতে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতেই সার্জেন্ট আব্দুল্লাহ আল মামুন বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পরে পুলিশ মনিরুজ্জামান সাজন নামে এক আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে। মামলার অন্যান্য আসামীরা হচ্ছে- জেলা যুবলীগের সভাপতি রাজন সাহা রাজু, যুবলীগ নেতা রিপন দাম ওরফে চিকু, সুকান্ত, লিখন, রাজিব দে, ছাত্রলীগ নেতা মানিক, শাকীল, রিয়াদ, শুভ ও মাহমুদুল হাসান মাসুম সরকার। এছাড়াও অজ্ঞাত আরো ১৫/২০ জন।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ সালেমুজ্জামান জানান, অন্যান্য আসামীদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।

জামালপুর জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফারহান আহমেদ জানান, জেলা যুবলীগের সভাপতি রাজন সাহা রাজু অত্যন্ত সজহ সরল ভদ্র মানুষ। যুবলীগের নেতা-কর্মীরা সব সময় আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রাখে। জামালপুর জেলা যুবলীগের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতেই পুলিশ পরিকল্পিতভাবে এই মিথ্যা মামলা করেছে।

যা অত্যন্ত দুঃখজনক। প্রতিবাদ এবং এবং প্রতিরোধ করার ক্ষমতা জেলা যুবলীগের থাকলেও তারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে নিরব রয়েছেন। বিষয়টি তারা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে জানিয়েছেন।মিথ্যা সাজানো এই মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফারহান আহমেদ।

এস ইসলাম/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category