জলঢাকায় অসহায় শিশুর স্বপ্ন পুরনে “আলোর কণা”

মোঃমশিয়ার রহমান, নীলফামারী: গরীব,অসহায় সুবিধা বঞ্চিতদের জন্য কিছু করতে পারাটা আনন্দের ব্যাপার আর তাই আমি সবসময় চেস্টা করি যারা গরিব ও অসহায় তাদের জন্য  কিছু করতে এটা আমার ভাললাগে। এর থেকে খুশির আর কিবা হতে পারে।এমনটিই বললেন ২০১২ সালে গড়ে ওঠা ফ্রি পাঠ্যদান কেন্দ্র “আলোর কণা” র প্রতিস্ঠাতা পরিচালক ফুরাদ হোসেন।

নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার দুন্দিবাড়ি ডাঙ্গাপাড়ায় ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়(আলোর কণা)নামক একটি সামাজিক সংগঠন।  ফ্রী পাঠ্যদান কর্মসূচী-র মধ্যদিয়ে সাধারন ছাত্রী/ছাত্রী ও অবিভাবকের দৃস্টিগোচর  ইতিমধ্যেই করেই ফেলেছে আলোর কণা। যার কার্যক্রম প্রগতিশীল নদীর মতো  চলমান।

মাত্র তিনজন ছাত্র/ছাত্রী নিয়ে গড়ে ওঠা সংগঠনটির বর্তমান শিক্ষার্থীর সংখ্যা এখন প্রায় ২০০ জন। তবে আরো দশটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আলোর কণার কার্যক্রম প্রসারিত করা হচ্ছে তার মধ্যে ৮টি স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ আর বাকি দু’টিতে এ দুটি সম্পন্ন হলে আলোর কণার কার্যক্রমের আওতায় আসবে প্রায় ১০০০জন ছাত্র/ছাত্রী।

প্রথমদিকে “আলোর কনা” সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য সাধারন শিক্ষার্থীর মাঝে উৎসাহ দেয়া মাত্র আর এই উৎসাহের মধ্যে অন্যতম ছিল বিভিন্ন স্কুলে স্কুলে যেয়ে বিভিন্ন প্রকার কুইজ প্রতিযোগিতা ও খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশ ঘটানো। কিন্তু কালের বিবর্তনে ও জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নশীল দেশ বাংলাদেশে পিছিয়ে পড়া,ঝরে পড়া,গরীব,এতিম ও দুস্থদের সম্পূর্ণ ফ্রি পড়ালেখার সুযোগ করে দেওয়া হয় যা ঝড়ে পড়া রোধে ও ছাত্র/ ছাত্রীদের বই পড়ার অভ্যাসে বিষেশ ভুমিকা পালন করবে এ কথাই বললেন আলোর কণা ফ্রি পাঠ্যদান কর্মসুচির অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও । আর সেজন্য প্রতিদিন কাজের ফাকে ফাকে অবসর সময়ে বিভিন্ন দাতা সংস্থার নিকট থেকে বই সংগ্রহ করে উল্লেখযোগ্য ভাবে ছাত্র /ছাত্রীদের মেধার বিকাল ঘটাচ্ছে এই সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগন। সরেজমিনে আলোর কণা পরিদর্শনে গেলে জানা যায় এখানে সাধারন ছাত্র/ছাত্রী সহ  অসহায় ছাত্র ছাত্রীদের জন্য সাম্প্রতি তৈরী করা একটি “মানবতার দেয়াল” ও সততা স্টোর যেটা অসহায় ও দুস্থদের অনেক কাজে লাগবে।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার চঞ্চল কুমার ভৌমিক বলেন, বাংলাদেশের মত একটা উন্নয়নশীল দেশে শিক্ষা ক্ষেত্রে সরকারি বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্য হলেও আমাদের জনসংখ্যার যে হারে বিস্ফোরণ ঘটেছে তার কথা মাথায় রেখে সরকারি উদ্যোগকে আরো বেগবান করতে  বিনোদনধর্মী শিক্ষাকে সংযোজন করার প্রয়োজন আমার মনে হয় আলোর কণা সেটাই করতেছে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে এই সংগঠন টি যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে সরকারি অথবা বেসরকারি  কোন  সংস্থা যদি  এটাকে সহযোগিতা করে তবে সংগঠনটির গতি আরও বেড়ে যাবে এবং ভবিৎসতে এটি একটি বড় প্রতিস্ঠানে গড়ে উঠবে বলে আমি মনে করি।

এম কে ইসলাম/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category