215562564

খোলা থাকছে গার্মেন্টস

কালের সংবাদ ডেস্ক: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে আজ থেকে সরকারি বেসরকারি সব ধরনের প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। আগামী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত  সরকারের নির্দেশে এ সময় সব অফিস-আদালত বন্ধ থাকলেও বন্ধের এই বাধ্যবাধকতা থাকছে না তৈরি পোশাকশিল্প কারখানাগুলোর (গার্মেন্টস) ওপর।

এর আগে গত সোমবার সচিবালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখাসহ প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ১০টি সিদ্ধান্ত তুলে ধরেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব আহমেদ কায়কাউসসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

এই বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গার্মেন্টেসের ক্ষেত্রেও প্রয়োজ্য হবে কিনা-জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব বলেন, ডিজিজটা (করোনা) সংক্রামক। গার্মেন্টেসে যারা কাজ করে ফ্যাক্টরি ও তার থাকার জায়গা কাছাকাছি। আমরা খুব ক্লোজ মনিটরিংয়ে রেখেছি প্রথম থেকে। এখানে কেউ যদি ইনফেকটেড হয়, আল্লাহ না করুক। সে কিন্তু ওই ফ্যাক্টরির বাইরে আর যাচ্ছে না।

তিনি আরো বলেন, কিন্তু ধরেন ৫-৬ জন আক্রান্ত হয়ে যদি ছুটিতে যায় তাহলে ছড়ানোর সম্ভাবনা বেশি। সেই হিসেবে আগাগোড়াই কন্ট্রোল এনভায়রনমেন্টে, গার্মেন্টস মালিকারাও কিন্তু প্রত্যেকটি জায়গায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার, হাত ধোয়া, গ্লাভস এবং মাস্ক ব্যবহারের কাজটা করে যাচ্ছে। সেই হিসেবে তারা ভালো আছে। সেক্ষেত্রে তারা (গার্মেন্টস মালিকরা) সিদ্ধান্ত নেবেন তারা কী করবেন।

মুখ্যসচিব বলেন, গার্মেন্টসের আরো প্রয়োজন হচ্ছে, গার্মেন্টসে আমরা তৈরি করছি পিপিই (পারসোন্যাল প্রোটেকশন ইকুইপমেন্ট), মাস্ক তৈরি করছি। এগুলো তৈরি করার জন্য গার্মেন্টেসের লোকজন আমাদের সহায়তা করছে। আমরা চট্টগ্রাম থেকে ১০ হাজার নিয়েছি, আরো ৯০ হাজার পাচ্ছি। এভাবে বিভিন্ন এলাকা থেকে নেয়া হচ্ছে। সেজন্য গার্মেন্টেসের ওপর বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হচ্ছে না।

তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমই’র সভাপতি রুবানা হক বলেন, ৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধের নির্দেশনার আওতার বাইরে থাকবে রফতানিমূখী গার্মেন্টসসহ সব ধরণের শিল্প প্রতিষ্ঠান। এটা সরকারেরই সিদ্ধান্ত।

 

এস ইসলাম/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category