খবরের নায়কেরা

কালের সংবাদ অনলাইন ডেস্ক: ১৯ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণকারি ‘ভারগো’ রাশির খবরের নায়কেরা হলেন…. বাংলার বীর নবাব আলিবর্দী খান (জন্ম: ১৯. ০৯. ১৬৭৪ইং ), বাংলার দেশপ্রেমিক সন্তান নবাব সিরাজউদ্দৌলা ১৭২৭ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর তৎকালীন দু বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদে জন্মগ্রহণ করেন । নবাব সিরাজউদ্দৌলার সহধর্মিনী মহিয়সী নারী বেগম লুৎফুন্নিসা (জন্ম: ১৯. ০৯. ১৭৩৪ইং), নবাব সিরাজউদ্দৌলার ভ্রাতুষ্পুত্র ছোট নবাব মুরাদউদ্দৌলা (জন্ম: ১৯. ০৯ .১৭৫৩ইং), সৈয়দ গোলাম আব্বাস আরেব ওরফে নবাবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা (নবাব সিরাজউদ্দৌলা রক্তধারার ৯ম প্রজন্ম) ১৯ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন লাল সবুজের বাংলাদেশে ।

১৯৭১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিত্রনায়ক সালমান শাহ জন্মগ্রহণ করেন, বাংলাদেশি সিনেমার চিত্রনায়িকা সুচন্দার জন্ম ১৯ সেপ্টেম্বর, আখন্দ জাহিদ (মডেল ও মঞ্চ অভিনেতা, জন্ম-১৯ সেপ্টেম্বর), ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ আবু আবদুল্যাহ আল আমীন (জন্ম: ১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৯১), ১৯০৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর কথাসাহিত্যিক অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্তের জন্ম,  ১৭৫৯ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ইংরেজ পতঙ্গবিদ উইলিয়াম কিরবির জন্ম, ১৯১১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর নোবেলজয়ী [১৯৮৩] ইংলিশ কথাসাহিত্যিক উইলিয়াম গোল্ডিংয়ের জন্ম, ১৯৮৬ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ইংলিশ ফুটবলার লিয়ন বেস্ট জন্মগ্রহণ করেন, এলেক্স এনজেলো (সিঙ্গার- ডিজে , জন্ম-১৯ সেপ্টেম্বর ২০০০, জন্মস্থান- ফ্লোরিডা), ডিয়েগো রেয়েস (খেলোয়ার, জন্ম-১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৯২, জন্মস্থান- ম্যাক্সসিকো), জিম্মি ফ্যালন ( টিভি উপস্থাপক, জন্ম-১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪, জন্মস্থান- নিউইয়র্ক), লেডিয়া হারস্ত ( মডেল, জন্ম-১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৮৪, জন্মস্থান- যুক্তরাষ্ট্র), ফিলিপ ফুসকো ( মডেল, জন্ম-১৯ সেপ্টেম্বর, জন্মস্থান- যুক্তরাষ্ট্র), হেনরি থ্রি ( রাজা, জন্ম-১৯ সেপ্টেম্বর ১৫৫১, জন্মস্থান- ফ্রান্স), রামিন কারিমলো (মঞ্চ অভিনেতা ও রক ব্যান্ড সিঙ্গার, জন্ম-১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮, জন্মস্থান- তেহরান, ইরান) সহ আরো অনেকে।

ভারগোরা নিজের সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা রাখেন। এরা অভিমানী হিসেবে পরিচিত। ভারগো একজন ভালো পর্যবেক্ষকও। ভারগোরা রোমান্সের ক্ষেত্রে হিসেব নিকেশ করেন। ভালবাসার ক্ষেত্রে ভারগোর প্রধান বিবেচ্য বিষয় সামাজিক, পারিবারিক, নিরাপত্তা।

১৯ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণকারি বাংলার গুণী সন্তান নবাবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা বাংলার দেশপ্রেমি হৃদয়ের ভালোবাসার মানুষ। রাষ্ট্র সমাজ পরিবার সকলেই তাঁর ভালোবাসায় মুগ্ধ। সবাই তাঁকে ভালোবাসার মানুষ বলে চিনে। তাইতো লাল সবুজের আকাশে বাতাসে আর কোটি কোটি প্রাণের বন্ধনে মিশে আছেন বাংলার লক্ষকোটি প্রাণের এই যুবরাজ। প্রতিনিয়তপ্রকৃতি পরিবেশ ইতিহাস ঐতিহ্য সহ বিভিন্নক্ষেত্রে বাংলাদেশের তরুণদের সম্পৃক্ত করে সফলতার সাথে কাজ করছেন তিনি। নিত্য নতুন সমাজের বাধা-বিপত্তি ঠেলে সরিয়ে সামনে আসছেন, অনুপ্রাণিত করছেন নতুন নতুন তারুণ্যকে। যদিও এখনো আমাদের দেশের বিরাট অংশের জনগণ অনেক বিষয়ে সংকীর্ণ ধারণা নিয়ে বসবাস করছেন, তবুও নানান ক্ষেত্রে তাঁকে দেখে অনুপ্রাণিত হচ্ছেন অনেক তরুণ প্রাণ।

সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে ১৯ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণকারি নবাব সিরাজউদ্দৌলার ৯ম রক্তধারা প্রজন্ম ঐতিহ্যের যুবরাজ সৈয়দ গোলাম আব্বাস আরেব ওরফে নবাবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা বলেছেন তাঁর না বলা অনেক কথা, আসুন জেনে নিই  ঐতিহ্যের যুবরাজের না বলা সেসব কথা । নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা :হৃদয়েরবন্ধন।ভালো মানুষ খুঁজে সম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ করা এবং সে সম্পর্ককে আজীবন রক্ষা করা।

আপনি জান প্রাণ দিয়ে ভালোবাসেন বা পছন্দ করেন, সেই সব বিষয় সম্পর্কে কিছু বলুন?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : বাংলাদেশ, বাংলাদেশি সুন্দর হৃদয়ের মানুষ, আম্মা সৈয়দা হোসনে আরা বেগম, নবাব সিরাজউদ্দৌলা, প্রিয়জন, প্রকৃতি, গোধূলি সময়, সৌন্দর্যের পূজারি, যে কোনো সুন্দর ও ভিন্ন রকম নতুনত্বকে ভালবাসি। নিজেকে কতটা জনপ্রিয় মনে করেন?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : সততা-দেশপ্রেম-ভালবাসার কারনে বাংলার ঘরে ঘরে নবাব সিরাজউদ্দৌলা – ঐতিহ্যবাহি নবাব সিরাজউদ্দৌলা পরিবার ও আমার জনপ্রিয়তা সকল দেশপ্রেমী হৃদয়ের গভীরতায়। আমি প্রকৃতি পরিবেশ ইতিহাস ঐতিহ্য সম্পর্ক বন্ধন তারুণ্য দুর্নীতি, সন্ত্রাসচাঁদাবাজি, খাদ্যে ভেজাল, সম্পর্কিত বিষয়ে সচেতনতা মুলক কাজ করে যাচ্ছি, সকলে দোয়া করবেন আমার জন্য। প্রায়ই খুব ইচ্ছে করে ?  নবাবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা :বাংলাদেশি হয়ে বাংলাদেশের এক পক্ষ হিন্দুস্তানের পক্ষে কাজ করে ও করছে ও করবে, আরেক পক্ষ পাকিস্তানের পক্ষে কাজ করে ও করছেও করবে, আর তৃতীয় পক্ষটি সৌদি আরব সরকারের হয়ে কাজ করে যাচ্ছে নির্লজ্জ হয়ে। আর এদের সকলেরই মানবতার শত্রু ইসরাইলের সাথে অতি গোপনীয়তার সহিত সখ্যতা রয়েছে। আমার পক্ষ একটি লাল সবুজের সোনার বাংলাদেশ। আমাদের পূর্ব বংশধর পারস্য ও ভারতের হলেও সেই সব রাষ্ট্র ও আমাদের ইশনা আশারি সম্প্রদায়ের দেশ বিদেশের লোকজন থেকে প্রকৃত অর্থে সেই সম্মাননা ও ভালোবাসা নবাবসিরাজউদ্দৌলা পরিবারের কেউই পাননি ও আমি সেই পরিবারের অংশ হিসেবে বলতে পারি আমিও পাইনি, সেটি আমাদের পূর্বের ইতিহাস। আমাদের বর্তমান ও আগামীর ভালোবাসা শুধুই লাল সবুজের বাংলাদেশ ঘিরে, এই দেশের মা মাটি মানুষ ও প্রকৃতি আমাদের আপনজন, তাঁরা আমাদের আপন ভাবে অতি মাত্রায় ভালোবাসে, তাই তাঁদের সাথে গদ্দারির প্রশ্নই ওঠে না। আমার পূর্ব বংশধর নবাব আলিবর্দী খান, নবাব সিরাজ উদ্দৌলা, বেগমলুৎফুন্নিস, অন্যান্যরা ও আমার দেশপ্রেম ও সততার কোনো কমতি ছিলনা ও নেই ,যা বাংলার দেশপ্রেমি সকলেরই জানা বিষয়।

আমরা নিজ স্বার্থের জন্য লাল সবুজের বাংলাকে পারস্য বা অন্য রাষ্ট্রের হাতে তুলে দেইনি ও তুলে দিব না। বাংলায় আমাদের নবাবি আমলে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষ নিজ নিজ ধর্ম আচার অনুষ্ঠান পালন করতেন নির্বিঘ্নে। কোনো ধর্মীয় দাঙ্গা বা অশান্তি ছিল না সকল ক্ষেত্রে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় ছিলো, খাদ্দে ভেজাল ছিল না। জিনিষ পত্রের মূল্য সহনীয় মাত্রায় ছিল। সর্বদাই বাংলার মানুষের মঙ্গল কামনাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য ও কর্তব্য ছিলো আছে ও থাকবে।বাংলার ঐতিহ্যবাহী এই পরিবারটির দেশপ্রেম ও সততা খাঁটি সোনার মত পরীক্ষিত। লাল সবুজের বাংলায় এমন কিছু স্মরণীয় কাজ করে যেতে চাই, দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাই।যখন থাকবোনা এই পৃথিবীতে !  তখন লাল সবুজের আকাশ বাতাস কৃতির আর মানুষেরা নিজের দোয়াও ভালোবাসায় যুগযুগ মনে রাখবেআমায়। চাওয়া পাওয়া ?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : বাংলার ঐতিহ্যবাহী নবাব পরিবারের তরুণ প্রজন্ম হিসেবে রাষ্ট্রীয় সুযোগ সুবিধা ও প্রকৃত সম্মাননা প্রাপ্তির আশা রাখি দেশের সরকার, বিরোধী দল ও শিল্পপতিদের কাছে। এ চাওয়া খুব বড় চাওয়া নয়, এটি আমার ও আমাদের অধিকার ও ন্যায্য প্রাপ্তি। বিদেশে বিভিন্ন রাষ্ট্র যে ভাবে নিজ নিজ রাজ পরিবারকে সম্মাননা দিচ্ছে, সে রকমটি আশা রাখি আমরাও বাংলাদেশের কাছে।সন্ধান ?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : আমার সমগ্র হৃদয় জুড়ে খোদা বাস করেন।আর আমার অন্তর জুড়ে ছেয়ে আছেন বাংলার প্রতিচ্ছবিতে নবাব সিরাজউদ্দৌলা, বেগম লুৎফুন্নিসা, নবাব আলিবর্দীখান, আম্মাজান সৈয়দা হসনে আরা বেগম, নানীজান গুলশানআরা বেগমের সততা – দেশপ্রেম, আদর্শচেতনা ,ভালোবাসারসু, শিক্ষা।ভেজালের ভিড়ে ভিন্ন কিছু- সুন্দরকিছু- ভালোকিছু- শুদ্ধকিছু- স্বচ্ছকিছু- আকর্ষণীয় কিছু মানুষের সন্ধানে থাকি সবসময়।ভেজাল- অসুন্দর- অসভ্য- নির্মম- নিষ্ঠুর- পাষাণদের থেকে দূরত্ব বজায় রেখে চলি।

পৃথিবীর প্রতিটি সৎসুন্দর ও স্বচ্ছহৃ দয়ের মানুষের বন্ধু হতে ইচ্ছে করে।তাই খুবই অল্পসময়ের মধ্যেই প্রিয়মানুষের বন্ধু হতে পারি।কারও সাথে খারাপ ব্যবহার করিনা, কারণ খারাপ ব্যবহার কিভাবে করে তা আমার পরিবার শিক্ষা দেয় নি আমায়। নিজের প্রিয় কিছু জিনিষ সম্পর্কে বলুন।  নবাবজাদাআলিআব্বাসউদ্দৌলা :রূপার তৈরি মূল্যবান কিছু রত্নের রিং যেটা সবসময় আমার ডান হাতের আঙ্গুলেথাকে।ফ্যাশান ও লাইফ স্টাইল জগতে মডেল হিসেবে ঐতিহ্যের সৌরভ ছড়াতে চাই।

মনেরমানুষ ?  নবাবজাদা আলি আব্বাস উদ্দৌলা :সাতরঙ্গে রাঙ্গিয়ে রাখতে চাই প্রিয় মনের মানুষকে। তবে এলোনা যে…, আজও মনের মানুষটির অপেক্ষায়…সততা-দেশপ্রেম-ভালবাসা আর নবাবি ব্যাপার স্যাপারের আদাব-এর সৌন্দর্যে আজও বাংলার ঐতিহ্যের প্রতীক নবাব সিরাজউদ্দৌলা পরিবার।  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : বাংলার ঐতিহ্যবাহি সিরাজউদ্দৌলা পরিবারের -এর সৌন্দর্য নবাবি আদাব – কায়দা – তেহজিব – তামিজ। সিরাজ পরিবার এখনও সেই সব নবাবী ঐতিহ্য ধরে রাখার ব্যাপারে খুবই একনিষ্ঠ।নবাব সিরাজউদ্দৌলা পরিবারের সব ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতিকে ধরে রাখতে আজও এই পরিবারের নতুন প্রজন্মরা যথেষ্ট যত্নশীল। তাইতো এই পরিবারের সদস্যদের আচার আচরণ কথা বলার ভঙ্গি এতটাই সুন্দর যে, যে কারো দৃষ্টি সহজেই আকর্ষিত হয়। আমাদের এই ঐতিহ্যবাহি পরিবারের আদব কায়দায় নবাবী আচার-ব্যবহারের সব রকম সৌরভ ও শিল্পরুচির প্রকাশ পায়। আমরা মানুষকে সহজেই বিশ্বাস করি ,তাই দুঃখের বোঝাটা বেশ ভারী।সম্মানের সহিত বাঁচা , একটু প্রিয় খাবার , একটু প্রকৃত বন্ধুত্ব ও একটু প্রকৃত ভালবাসা ছাড়া বিশেষ চাওয়া পাওয়া নেই।আমরা যাকে ভরসা করি যাকে বিশ্বস্ত ও ভালোভেবে কল্পনা করি তার বিপরীত হয়ে বের হয় সে! আমি প্রিয়জনের জন্য অনেক বেশি লাভিং কেয়ারিংসেক্রি ফাইসিং। তাই তো প্রিয়জনের সাথে বেশীক্ষণ রাগ করে থাকতে পারিনা।প্রিয়জন আমার সাথে রাগ করে যদি আবার এসে মিষ্টি হাসি দিয়ে জড়িয়ে ধরে, সাথে সাথে আমার মনটা গলে যায়, কান্নায় আবেগে আপ্লুত হয়ে যাই।আসলে দোষটা আমার না, আমার ঐতিহ্যবাহী পরিবারে তেহজীব তামিয ও শিক্ষা এমনটিই আকর্ষণীয়।  নবাব সিরাজ উদ্দৌলা মানেই সোনার বাংলা ও বাংলাদেশ। নবাবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা :ইতিহাস ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে… কৃষক চেতনার বাংলাদেশে সফল নায়কের চেয়ে ট্রাজিক বীরেরা হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসা পান।বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ বীর চায়, নিপীড়িত জাতি নায়ক চায়, বাংলার জনগণ চায় ট্রাজিক দেশ প্রেমিক সিরাজউদ্দৌলার পুনর্জাগরণ, বাংলার মানুষ চায় প্রকৃত ভালবাসা।সিরাজ চরিত্র এইচারের অভাব অন্তত ৪বার মিটিয়েছে।ইতিহাসে ৪বার বেঁচেছিলেন এবং বেঁচে আছেন তিনি ।

প্রথম বার…নিজের সৎ ও দেশপ্রেমিক জীবনে (জন্ম-১৯.৯.১৭২৭ ইং তৎকালিন দু’বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদে)।দ্বিতীয়বার.. ১৯১১সালের জানুয়ারিতে কলকাতার নাট্যমঞ্চে মঞ্চস্থ নাটক ‘সিরাজউদ্দৌলা’-য় (১৯১১সালের ৮জানুয়ারি তৎকালিন বৃটিশ ইংরেজও তাদের এদেশীয় সহযোগী মিত্র সরকার বাংলার বীরদেশ প্রেমি নবাব সিরাজ উদ্দৌলার আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তা আতঙ্কে, দেশপ্রেমি দর্শকদের উপচেপড়া ভিড় দেখে গিরিশ চন্দ্রঘোষ রচিত ‘সিরাজউদ্দৌলা’ নাটকের অভিনয় ও প্রচার বন্ধ করে দেয়)।তৃতীয়বার… ঢাকা ও পাকিস্তানের চলচ্চিত্রে । বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পগ্রন্থে মির্জা তারেকুল কাদের লিখেছেন; নবাব সিরাজউদ্দৌলা চলচ্চিত্রটি বিপুল অঙ্কের মুনাফা অর্জন করতে সক্ষম হয়।স্বাধীনতা বোধ উজ্জীবিত এবং তপ্ত রাজনৈতিক আবহাওয়ার পটভুমিতে নৈপুন্যতার সঙ্গে নির্মিত হওয়ায় ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’ চলচ্চিত্রটি দর্শকেরা সাদরে গ্রহণ করে নেন।১৯৬৭সালের জানুয়ারিতে বাংলা ও উর্দ্দু ভাষায় মুক্তি পাওয়া উক্ত চলচ্চিত্রটি বক্স অফিসে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছিল।বাংলার মানুষের মনে চিরকাল তরুণ বীর দেশপ্রেমিক সিরাজউদ্দৌলার প্রতি যে ভালবাসা কাজ করে, অভিনেতা আনোয়ার হোসেন তার অসাধারণ আন্তরিক অভিনয় দিয়েখান আতাউর রহমান পরিচালিত উক্ত চলচ্চিত্রের মাধ্যমে দর্শকের মনে সেই সুপ্ত নহর জাগাতে পেরেছিলেন। চতুর্থবার…নবাব সিরাজউদ্দৌলার পুর্নজাগরণ ও পুর্ণজন্মঘটে তাঁরই রক্তধারার ৯ম প্রজন্ম সৈয়দ গোলাম আব্বাস আরেব ওরফে নবাবজাদা আলি আব্বাস উদ্দৌলার সততা-দেশপ্রেম ভালবাসার আদর্শিক চেতনার মাধ্যমে।তাইতো সমাজের সর্বস্তরের দেশপ্রেমি সকলের কাছে আমি…নতুন প্রজন্মের সিরাজউদ্দৌলা।

আজ লালসবুজের দেশ্রপ্রেমি সকল হৃদয় নবাব সিরাজ উদ্দৌলার জীবনকেই নতুন ভাবে পেয়েছেন আমার মাঝে।বাংলারদেশ প্রেমি মানুষ যখন কণ্ঠে দেশপ্রেম ও ভালোবাসা নিয়ে বলেন… নবাবজাদা আলি আব্বাস উদ্দৌলা আমাদের নতুনপ্র জন্মের সিরাজ উদ্দৌলা, সকলের মন তখন ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় পূর্ণহয়ে ওঠে। দুটি ভিন্নসময়, দু’টিভিন্ন মানুষ, কিন্তু যেখানে আমরা এক হয়ে যাই তাহলো…সততা, দেশপ্রেম ও বাংলার দ্রেশপ্রেমি সকলকে আপন ভেবে আপন করায়।তাই আমাদের জীবনকে আর আলাদা করা যায়নি, আর যাবেও না।নবাব সিরাজ উদ্দৌলাই আব্বাস উদ্দৌলা, নবাবজাদা আব্বাস উদ্দৌলাই সিরাজ উদ্দৌলা।আমি নিজস্ব ঐতিহ্যবাহি ইমেজে হৃদয়ের গভীরতায় লালন করি নবাব সিরাজ উদ্দৌলার জীবনকে।তাইতো লালসবুজের ডিজিটাল বাংলায় ঐতিহ্যের সেই ফুলের সৌরভ ছড়াচ্ছি সকল হৃদয়ে। আর আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশের কোটি-কোটি হৃদয় থেকে আবার ডাক পড়ল… হেবীর, হে-দেশপ্রেমিক, তুমি তো আমাদেরই মাঝে।টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত শোনা যায় শ্লোগান…‘জয়তু সিরাজউদ্দৌলা’-‘জয়তুআব্বাস উদ্দৌলা’।

আজ আবার বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী আবেগ বীর দেশপ্রেমিক ‘সিরাজউদ্দৌলা’ প্রতিক পেয়েছে নতুন প্রজন্মের সিরাজউদ্দৌলা…“নবাবজাদা আব্বাস উদ্দৌলার” মাঝে। কোন সব বিষয় আপনার দৃষ্টিতে ক্ষমা যোগ্য নয়?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : মানুষকে বোকা বানানো ও ঠকানোর চেষ্টা করা। সে যেই হোক, যারা ইসলাম ধর্মকে ব্যবহার করে ভণ্ডামি, বিকৃত কার্যকলাপ, প্রতারণা, ছল চাতুরি, ইসলামকে বিকৃতভাবে পরিবেশন ও ইসলাম ধর্মের সাথে মুসলাম হয়ে বিশ্বাসঘাতকা করছে। যারা প্রতিনিয়ত মিথ্যা কথা বলে। ওয়াদা দিয়ে ওয়াদা অস্বীকার করে রক্ষা করে না। ইতিহাস বিকৃতিকারি। যারা প্রতি নিয়ত কলোহ বিবাদ করায় ও কলোহ বিবাদে লিপ্ত থাকে। এই সব দুষ চরিত্র বেক্তি ও গোষ্ঠীকে কোনো ভাবে ক্ষমা করা যায় না। * বিশিষ্ট সাংবাদিক ফকরে আলম : অর্থ, খ্যাতি, সম্মান, ভালবাসা-জীবনে কোনটি বেশি জরুরি? নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : ভালবাসা -ভালবাসা – ভালবাসা, সেটি অবশ্যই প্রকৃত ভালবাসা হতে হবে। আর যে হৃদয়ের গভীরতায় ভালবাসবে সে সম্মানও সমপরিমাণ করবে।  আপনার শিক্ষা জীবন সম্পর্কে কিছু বলুন?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : ‘অ’ ‘আ’ লিখতে পারি, একটু পড়তে পারি । কিছু মানুষে কথা বলুন, যারা সব সময় আপনাকে প্রেরণা দেয়?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সা: ), বিশ্ব বীর শহীদ ইমাম হোসাইন, বাংলার বীর নবাব আলিবর্দী খান, বাংলার দেশপ্রেমিক নবাব সিরাজউদ্দৌলা, মহীয়সী নারী বেগম লুৎফুন্নিসা, নানী গুলশান আরা বেগম, আম্মা সৈয়দা হোসনে আরা বেগম।  জীবনের কিছু অসুন্দর অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন ?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : অসুন্দর তো অসুন্দরই। কিছুটা শেয়ার করছি। মানুষ যখন আমাকে ঠকায়/প্রতারণা করে তখন নিজে নিজেই হাসি, কিন্তু নিজে বোকামি করলেও নিজেকে বোকা মনে হয় না কারন আমি তো তাদেরকে মানুষ ভেবেই বিশ্বাস করেছিলাম। কষ্ট পাই যারা আমার সাহায্য নিয়ে আমাকেই বদনাম করে,আমার সাথে ছলচাতুরি প্রতারণা করে।অনেক সময় মানুষরূপি দানব মানুষজনকে সাহায্য সহযোগিতা ও ভালোবাসতে গিয়ে বদনামির তকমা লেগেছে !!! আপনার খুবই প্রিয় একটি বিষয় পাঠক বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন?  নবাবজাদা আলি আব্বাস উদ্দৌলা :প্রিয় বিষয় ভালোবাসা -ভালোবাসা -ভালোবাসা।আর তাইতো পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর জিনিষটি ও ভালোবাসা।হতে পারে এটা প্রকৃতি, দেশ, শিশু- তরুণ- নারী- পুরুষ কিংবা অন্য আবেগের সম্পর্ক জড়িত মানুষের প্রতি, প্রিয়জনের প্রতি ভালবাসা।যেখানে শুধুই রয়েছে সম্মান, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও ভালো লাগার সৌরভ।প্রতিদানে শুধুই নির্ভেজাল প্রকৃত ভালবাসা চাই। সম্পর্কের ভালোবাসাকে অটুট বন্ধনে রাখতে কোন সববিষয়ে আলোকপাত করবেন?  নবাবজাদা আলি আব্বাস উদ্দৌলা : সম্মান, শ্রদ্ধা, ভালো লাগার সৌরভ,ত্যাগ ও ভালোবাসা। পরস্পরের প্রতিশ্রদ্ধা, বিশ্বাস, আস্থা থেকেই অঙ্কুরিত হতে পারে যেকোনো সম্পর্কে ভালোবাসার একনতুন অধ্যায়।

ভালোভাবে বেঁচে থাকার জন্য যে জিনিষটি খুব বেশি প্রয়োজন?  নবাবজাদা আলি আব্বাস উদ্দৌলা : প্রকৃত ভালাবাসার বন্ধন,বিশ্বস্ত বন্ধু,অর্থ, সততা।তবে বর্তমান সময়ে সৎ ভাবে বাঁচাটা একটু কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়।বর্তমানে পৃথিবীতে সততা ও মেধার মূল্যকম।অসততা, অপকৌশলের মূল্যবেশি। সকালে ঘুম থেকে উঠেই কি করেন?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : পবিত্র সব নাম ও স্থাপনার ছবির ওপর দৃষ্টি দেই,পরে আম্মার ছবির সাথে কথা বলি আর সবুজ প্রকৃতির দিকে দৃষ্টি দেই, ফুলের সৌরভ আর পাখির নাচনে মুগ্ধ হই। অবসর কাটান কিভাবে?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : বাংলার জন্য সুন্দর সব স্বপ্ন দেখে। * সাফল্যের সংজ্ঞা। নবাবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা : সততা, নীতি ও আদর্শের পথে চলা। এ পথের পথিক আমি।বিনয়; কাজেরপ্রতিসততা; আর বাংলার দেশপ্রেমি মানুষের ভালোবাসায় যখন সমাজের বিভিন্ন প্রান্তে আমার নামটাশ্র দ্ধা-বিশ্বাস-আস্থা ভালোবাসায় শুনতে পাই। মনটা গর্বে ভরে যায়।সংগ্রামের সংজ্ঞা। নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : জীবন সংগ্রামে প্রিয়জনদের ভালবাসায় যে কোন ধরনের সংগ্রামে যাওয়ার মানষিক প্রস্তুতি সব সময় বিদ্যমান থাকে আমার মাঝে।  প্রিয় ঋতু?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : শরৎ,বসন্ত। যে স্বপ্নটা প্রায় দেখেন?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : অপূরণীয় ইচ্ছাগুলোর পূর্ণতা পাওয়ার ইচ্ছে।সেই ইচ্ছে গুলোর মধ্যে অন্যতম হোলোদেশের সাদা মনের মানুষজনদের সম্পৃক্ত করে নবাব সিরাজউদ্দৌলার আদর্শ চেতনায় বাংলার জন্য সুন্দর কিছু ভালো কিছু করবার ও বিশাল পরিসরে নবাব সিরাজউদ্দৌলা পরিষদ প্রতিষ্ঠা করা।না ভুলে যাওয়া কিছু ঘটনা বলুন?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : আমি সাদা মনের মানুষ। তাইতো অনেকবার ব্যর্থ হয়েছি জীবনে, বিশ্বাসঘাতকদের কারনে। সেই সববিশ্বাসঘাতকদের কখনই ভুলবো না।আর কখনও ভুলবো না আম্মা সৈয়দা হোসনে আরা বেগম, প্রিয় স্বজন, প্রিয় বন্ধু, প্রিয় শিক্ষক ও প্রিয় প্রতিবেশির সাথে স্মৃতি বিজড়িত কিছু সুন্দর মুহুর্ত। সুযোগ পেলে যে অভ্যাসটি বদলাতে চান?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : যে কোন অসুন্দর অভ্যাস। ভাল মানুষ হওয়ার জন্য যে গুনটা জরুরি? নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : শিক্ষার সঠিক ব্যবহার। মনের যে আশা আজও অপূর্ণ রয়েছে?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : অনেক কিছুই। কার কার আদর্শ চেতনায় জীবনকে সাজাতে চান?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : বাংলার দেশপ্রেমি নবাব আলিবর্দী খান ও নবাব সিরাজউদ্দৌলার আদর্শ চেতনায় জীবনকে সাজাতে চাই। আজ ও সামনের দিনগুলোয় বাংলার জন্য নতুন কিছু করার পরিকল্পনা আছে কি?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : হ্যাঁ, আছে। বাংলার বীর নবাব আলিবর্দী খান ও বাংলার দেশপ্রেমি নবাব সিরাজউদ্দৌলার আদর্শ চেতনা ভালোবাসায় সাদা মনের নতুন প্রজন্মদের নিয়ে নতুন দিনের বাংলাদেশের গড়ার কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। সকল পবিত্র হৃদয়ের দুয়া ভালোবাসা আরশিরবাদ চাই। নবাব সিরাজউদ্দৌলার আদর্শ চেতনা ভালবাসায় আরেকবার বাংলার মানুষকে উজ্জীবিত করতে পারবেন কি?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : অবশ্যই। বাংলার দেশপ্রেমী মানুষেরা নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে এখনও মনে প্রাণে ভালবাসে। সঠিক দিক নির্দেশনা পেলে, নবাব সিরাজউদ্দৌলার আদর্শিত সংগঠনের মাধ্যমে বাংলার মানুষকে উজ্জীবিত করা সম্ভব। কেননা বাংলার জান-প্রাণ শুধুই নবাব সিরাজউদ্দৌলা। আধুনিক যুগের সম্পর্কের বন্ধনের নতুনত্বের মাঝে কোন সব সম্পর্ক আপনার কাছে অসুন্দর মনে হয়?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : যে সব সম্পর্কে গভীরতা নেই। যে সব সম্পর্কের বন্ধনে লুকোচুরি থাকে। কথায় আছে ‘যায় দিন ভালো, আসে দিন খারাপ’, আমার কাছে আধুনিকতার নামে যে মেকি ভালোবাসার উপস্থাপন দেখি সেটাকে সবচেয়ে অসুন্দর লাগে (সব ক্ষেত্রে নয় কিন্তু বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই), আর এতে করে একে অপরকে ঠকানোর প্রতিযোগীতা যেভাবে চলছে তাকে ঘৃণা করি। সম্পর্কের ভালাবাসাকে অটুট বন্ধনে রাখতে কোন সব বিষয়ে আলোকপাত করবেন?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ- সততা- অগাধ বিশ্বাস ও ত্যাগের মনোভাব এবং দুজনের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি না থাকা। আর একে অপরকে উপহার দেয়া। কেয়ারিং হওয়া। আর নীরবে নিভৃতে ঘুরতে যেয়ে বহুদূরের অজানা গন্তব্যে দুজনের মধ্যে দুজনে হারিয়ে যাওয়া।  নিজের সর্ম্পকে যে বিশ্বাসটি আপনার খুবই প্রবল?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : আমার দ্বারা কারোর ক্ষতি বা খারাপ কিছু হবেনা বরং নিজের ক্ষতি মেনে নিয়ে অন্যের ভালো হলেও আমি খুশি। গুরুজনদের যে সব উপদেশ গুলো সব সময় মেনে চলার চেষ্টা করেন?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : সবার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা।আপনজনদের শেখানো সততা, সময়ানুবর্তীতা,পরোপকার,সকল জীবের প্রতি ভালোবাসা।আর আমি কখনো স্বার্থপরের মতো শুধু ব্যক্তি আমাকে নিয়ে ভাবি না, সবাইকে নিয়ে কিভাবে ভালো থাকা যায় সে কথাই ভাবি সবসময়। রাজনীতির বাইরে প্রিয়?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : সব ধরনের নোংরা রাজনীতিকে ঘৃণা করি এর বাইরে প্রিয় সুন্দর সব কিছুই।  স্টাইলিশ ব্যক্তিত্ব?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : নবাব সিরাজউদ্দৌলা।  যে স্মৃতিটা কখনও ভোলা যায় না?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : চিরতরে আম্মা সৈয়দা হোসনে আরা বেগমকে হারানোর বেদনাদায়ক সব মুহুর্ত এবং প্রিয়জনের যে কোনো কষ্টের স্মৃতি। প্রিয় শখ?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : পৃথিবীর ভিন্নতার স্বাদ নেয়া ও সৌন্দর্যতাকে উপভোগ করা। প্রিয় মুখ।  নবাবজাদা আব্বাস উদ্দৌলা : আম্মা সৈয়দা হোসনে আরা বেগম। প্রিয়উক্তি। নবাবজাদা আলি আব্বাস উদ্দৌলা :“কারো উপকার না করতে পারলে ক্ষতি করো না”; “একটি ভালোবাসা একটি ভালোবাসার জন্মদেয়।একটি ঘৃণা একটি ঘৃণার জন্মদেয়”। প্রিয়পোশাক ? নবাবজাদাআলিআব্বাসউদ্দৌলা :পরিস্থিতির সাথে মানান সই যে কোনো পোশাক।  নিজেকে বিশ্লেষণ করেন যেভাবে। নবাবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা :নিজেকে বিশ্লেষণ করি প্রথমত… একজনসাদা মনের মানুষ হিসেবে।দ্বিতীয়ত… সব কিছুকে বেশিমাত্রায় সরল ভাবা।শিল্পি-মন আমার, বোকা ও ভাবুক বটে, বাংলায় কিছু স্মরণীয় কাজ করে যেতে চাই, দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাই আর মরেও মানুষের হৃদয়ের গভীরতায় অমর হয়ে থাকতে চাই। ভালো অনেক কিছু করতে চাই কিন্তু দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্রের শিকার আমি, যার দরূন আমার কাজ বার বার বাধা গ্রস্থ হচ্ছে। তৃতীয়ত… আমার জন্ম হয়েছে অনেক গুলো দায়িত্বপালন করতে, সেটা পরিবার থেকে রাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রে।চতুর্থত… আমি এই পৃথিবীতে নিজের জন্য শুধু আসিনি।তাই প্রকৃতি, ঐতিহ্য, পশুপাখি, দেশপ্রেমি মানুষ আর লাল সবুজের বাংলার জন্য আমার ভালোবেসে কাজ করে যেতে হবে।পঞ্চমত… খুব বেশি আবেগ প্রবণ, খুব বেশি আদুরে, অনেক স্পষ্টবাদী, যা বুঝি তাই বলি সেটা যাই হোক। ক্যাম্পাসে কোন কারণে আপনি সেরা ছিলেন?  নবাবজাদা আলি আব্বাস উদ্দৌলা :আহসান উল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত অবস্থায় ছাত্রদের বিপুল ভোটে নির্বাচিত প্রধান ছাত্রনেতার দায়িত্বে ছিলাম আমি।দীর্ঘ সময় থেকে প্রচলিত ছাত্রনেতাদের কার্যক্রমের ধারা থেকে বেরিয়ে উন্নয়ন ও গঠনমূলক কার্যক্রমে নিজেকে এবং শিক্ষার্থীদের সকলকে সম্পৃক্ত করতে পারায় সকলের প্রিয়জন ছিলাম।  ৩টি কারণ বলুন যে জন্য নিজেকে ভালো মানুষ মনে হয় ? নবাবজাদা আলি আব্বাস উদ্দৌলা : প্রথমত… আমি স্বচ্ছ ও সুন্দর মনের মানুষ । দ্বিতীয়ত… নিজেরলাভেজন্যকারওক্ষতিকরিনা।তৃতীয়ত… চিন্তাও করতে পারিনা, আমি কখনও কারও সাথে প্রতারণা করব। ৩টিদোষ, যা পাল্টাতে চান? নবাবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা : প্রথমটি… কেউ প্রতারণা করলে/মিথ্যা কথা বললে ভয়ঙ্কর রেগে যাই। দ্বিতীয়টি… সহজেই সবাইকে বিশ্বাস করি। তৃতীয়টি… সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধায় ভুগি। নবাবজাদাআলিআব্বাসউদ্দৌলা : নবাব আলিবর্দী খান, নবাব সিরাজউদ্দৌলা, বেগম লুৎফুন্নিসা, আম্মা সৈয়দা  হোসনে আরা বেগম, নানী গুলশানআরা বেগম এবং পরম করুণাময় আল্লাহতা আলার সুন্দর সব সৃষ্টি।আপনার কিছু ভালো দিক ?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা :আমার সব খারাপ দিক বর্জন করার চেষ্টা করি, মানুষকে সহজে বিশ্বাস করি, সকল ধর্ম বর্ণের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।প্রকৃত ইসলাম ঈমান আকিদা মনে লালন করে সে পথে চলা। প্রিয়জনের বিশ্বস্ত হয়ে থাকা। প্রিয়জনের মন না ভাঙ্গা। সত্য কথা বলতে ভালো লাগে। ছল-চাতুরি না কারা।বিশ্বাসঘাতকা না করা। ভালোলাগে কি ?  নবাবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা : ঘাস-ফুল-নদী-সমুদ্র-পাহাড়-পর্বত-অরণ্য-প্রজাপতি-ময়ূর-পাখি-কাঠবিড়ালি-খরগোশ-হরিণ-গাভী-ছাগল-গাধা-হাঁস-মুরগি-ডলফিন আর বিচিত্র সব মাছ। খারাপ লাগে। নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : (১) যখন প্রিয়জন ভুল বুঝে । (২) প্রিয়জনকে কষ্ট পেতে দেখলে। (৩) আমি সদা সর্বদা কথা/ওয়াদা নিয়ে সেটা পরিপূর্ণভাবে রক্ষা করি, তাই মিথ্যাবাদি ও ওয়াদাভঙ্গ কারিদের আচরণে ব্যতিথ হই ভেঙ্গে পড়ি।(৪) খারাপলাগে মানুষের চাতুরতা। নিজের সম্পর্কে কিছু অপ্রকাশিত তথ্য বলুন। নবাবজাদা আব্বাস উদ্দৌলা : আমি একটু অন্যরকম স্বীকার করছি ,কারণ… ছোটবেলা থেকে স্বভাবতই আমি শান্ত।টিপিক্যাল ছেলেরা যে রকম দূরন্তপনায় ব্যস্ত ছিলো তখন আমি ঠিক সেলে ভেলে পৌঁছুতে পারিনি কখনও।

আমি জানি এপৃথিবীতে আসার সুযোগ হয়েছে সুন্দর ও স্মরণীয় কিছু করবার জন্য।শান্ত দুরন্ত উচ্ছল নিশ্চল আমি।নইতো কভু উতস্রিঙ্খল বা বেয়াদব।কখনো বা কিছুটা এক রোখা, কখনো বা ভেঙ্গে পড়া দুঃখী একজন। এপৃথিবীতে আমি যতদিন থাকব, একটু নিজের মতো করে ভালভাবে ভালবেসে বাঁচতে চাই।একটু ভিন্ন ও সুন্দর হৃদয়ের ঐতিহ্যের সৌরভ আমি।জীবনে আমার অনন্ত চাহিদা নাই।যা কিছু করি মন থেকে করি। ফুলের সৌরভে হৃদয়ের বন্ধনে বাঁচতে চাই।যাকে ভালোলাগে তাকে অনেক বেশি আপন করে পেতে চায় আমার এইপাগল মনটি।আর যাকে সহ্য হয় না, তার থেকে ১০১ হাত দূরত্ব বজায় চলি। অন্যায়-অবিচার-ছল-চাতুরী-প্রতারণা একদম সহ্য হয়না।তীব্র প্রতীবাদ করি।আরকিছু না করতে পারলে মন থেকে ঘৃণা করি। শত্রুর সাথে ও ভালো আচরণ করি।তার পরও কিছু দুষ্টু রাষ্ট্র ও তাদের আদর্শের দুষ্টু অনুসারীরা আমার ও আমার পরিবারের নানাভাবে ক্ষতি করেছে ও করে যাচ্ছে! আমি একটু দুষ্টু মিষ্টি প্রকৃতির।তবে কাউকে অসন্মান, ব্যঙ্গ বা ছোট করে কিছু করিনা।প্রিয়জনকে হাসাতে খুব পছন্দ করি। পৃথিবীর শান্তিপ্রিয় মানুষজনপ্রাণীকূল উদ্ভিদকূল প্রায় সকলেই আমরা কোন না কোনভাবে আপনজন ও প্রিয়। প্রিয় মানুষের সান্নিধ্য সবসময় ভালোলাগে। শ্রদ্ধা- বিশ্বাস-ভালোলাগা থেকেই ভালোবাসার জন্মহয়, তাই ভালোবাসি ও পছন্দ করি তাকে ইযে আমাকে হৃদয় দিয়ে ভালোবাসে, সম্মান ও বিশ্বাস করে অনেক বেশী।আর যে আমার সঙ্গ পছন্দ করে খুব বেশী বেশী, সেই আমার প্রিয়। ১০১ হাত দূরে থাকি- জি. এফ, হারাম খাদ্য, সিগারেট, শূরা, নেশাজাতিয় ক্ষতিকারক সবকিছু থেকে। হারবালচা- এরসাথে একটু মধু খেতে পছন্দ করি।আমি একজন সুন্দর হৃদয়ের মানুষ, প্রিয়জনদের ভালোবেসে ও তাঁদের প্রকৃত ভালবাসায় বাঁচতে চাই। প্রিয়মুহুর্ত ।  নবাবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা :আমার কোনো কাজে যখন প্রিয়জনেরা খুশি হন। পড়তে ভালোবাসেন এমন সব বিষয়।  নবাবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা :প্রিয়জন বানিজের সম্পর্কে প্রকাশিত কোনো খবর, ছবি, লেখা।পত্রিকা বা ম্যাগাজিনে ছাপা প্রকৃতি, পরিবেশ, ভ্রমণ, বন্ধুত্ব, তারুণ্য আর ভালোবাসার বিষয়ে ছাপাহ ওয়াযে কোনো ফিচার বা রিপোর্ট। নবাব সিরাজউদ্দৌলা কেন্দ্রিক প্রিয় ঐতিহ্যবাহি পরিবারের আপনজন বিষয়ক ফিচার, বিনোদনপাতা, রাশিফল। বেড়ানোর জন্যপ্রিয় কিছু জায়গা সম্পর্কে পাঠকদের বলুন। নবাবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা : কোলাহল মুক্ত যে কোন সুন্দর স্থান, প্রকৃতির সান্নিধ্যে নির্জন কোনো এলাকা । অপরুপ… ইরান, আলোঝলমলে… ইরাক, ঐতিহ্যের ছোঁয়ায়… ইন্ডিয়া, মাস্তিফান বন্ধুত্বে ঝাকাস… রাশিয়া, হৃদয়ে… বাংলাদেশ। নবাবজাদাআলিআব্বাসউদ্দৌলা : সবফুলই প্রিয় তবে খুব বেশি ভালোলাগে গোলাপ, বেলি, গন্ধরাজ, শিউলি, কদম, রজনীগন্ধা, জুই, কামিনী, হাসনাহেনা।  প্রিয়পারফিউম।  নবাবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা: পারস্যের সুগন্ধি, পারস্যের সৌরভ।আপনার পূর্বপুরুষেরা কোন দেশের। নবাবজাদা আলি আব্বাস উদ্দৌলা : নবাব আলীবর্দী খানের জন্ম ও মাতৃ ভূমিই রানের সিরাজ প্রদেশে।তার প্রাণপ্রিয় নাতি যুবরাজ সিরাজউদ্দৌলা ১৯.০৯.১৭২৭ ইং সালে তৎকালীন দুবাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদেজ ন্মগ্রহণ করেন।তাই তো ইরান এবং ইন্ডিয়া আমার হৃদয়ের কাছের দুটিদেশ। প্রিয়খাবার। নবাবজাদা আলি আব্বাস উদ্দৌলা : কাঁচা ছোলার রুটি, রুমালি রুটি, দধি, আম, টক-মিষ্টি-আচার, ভেজিটেবল সালাদ, মাছ, থাইস্যুপ, ফ্রেঞ্চফ্রাই, ফ্রুটজুস, আইসক্রিম, টফি-মিমি-চকলেট, ফ্রেশফ্রুট, নবাব সিরাজউদ্দৌলার প্রিয় ‘ফালসা’ ফল আর খুব মিস করি আম্মার হাতের মজাদার সব ঐতিহ্যবাহী নবাবীরান্না।  জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহুর্ত। নবাবজাদা আলি  আব্বাসউদ্দৌলা : ইরান, ইরাক, ইন্ডিয়ায় কাটানো সুন্দর মুহুর্ত গুলি।মুহুর্ত গুলি স্মরণীয় করবার জন্য পরম করুনাময় আল্লাহ্র কাছে শুকরিয়া জানাই, আর শুকরিয়া জানাই আম্মা সৈয়দা হোসনেআরা বেগম, আব্বাএস. জি. মোস্তাফা, ভাইমাসুম, বোন মুনমুন ও ইমু- কে। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের শীর্ষস্থানীয় নেতা, সমাজসেবক, শিল্পপতি, শিক্ষাবিদ, নবাব সিরাজউদ্দৌলা বিষয়ক গবেষক, সাপ্তাহিক পলাশীর প্রতিষ্ঠাতা প্রকাশক ও প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক, উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্টড. মুহাম্মদ ফজলুলহক স্যারের প্রথম ফোনকল এবং আমার সাথে সাক্ষাতের জন্য তার অধিক আগ্রহ প্রকাশ্।সাক্ষাতের প্রথমদিন থেকে তার মৃত্যুর (১৬.১.২০১৭) আগ পর্যন্ত বাংলার ঐতিহ্য বাহীনবাব পরিবারের ৯ম প্রজন্ম অর্থাৎ আমাকে যে সব সম্মাননা ও ভালোবাসা দিয়েছেন তা সবসময় আমার জীবনের স্মরণীয় সুন্দর মুহুর্তগুলির অন্যতম। সম্মাননা ? নবাবজাদা আলি আব্বাস উদ্দৌলা : সমাজ-সংস্কৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য আমার সাক্ষাৎ কার প্রকাশিত হয়েছে, ‘দ্যাডেইলী স্টার’ (দ্যাস্টার ম্যাগাজিন) ‘ফর দ্যা লাভ অব নেচার’ (২৫.১২.২০০৯)।দ্যা ডেইলি সান ( মরনিং টি ম্যাগাজিন) নওয়াব’স ডিসেনডেনট (১৫.০৭.২০১১)।দৈনিক সংগ্রাম (সমাজ-সংস্কৃতি) “ সম্মাননা সনদ পেলেন নবাবজাদা আব্বাস উদ্দৌলা ” (১৮.১০.২০১৭)। দৈনিক আমাদের বাংলা “ আমি বাংলার বীর নবাব সিরাজউদ্দৌলার সন্তান বলছি ” (২৩.৬.২০১৯)।দৈনিক জনতা (সম্পাদকীয় পাতা) “ বাংলায় সিরাজ প্রজন্ম ” (২৭.১০.২০১৭)।দৈনিক সংগ্রাম (সমাজ-সংস্কৃতি) “ ইতিহাসের পুরুষ- পিতা পুত্রের কথোপকথন ” (১৪.১০.২০১৫)।দৈনিক কালের কন্ঠ (অবসরে) ‘সিরাজি নিশানা’ (২০.৬.২০১৫)।দৈনিক কালের কণ্ঠ (শুধুইঢাকা) ‘ঢাকায় নবাব পরিবার’ (১৭.০৭.২০১০)।দৈনিক সমকাল (মেট্রোঢাকা) ‘নবাব পরিবারের অজানা কথা’ (০৩.১০.২০১০)।দৈনিক ইত্তেফাক (ভিন্নচোখে) ’ঢাকায় এখন সেই নবাব’ (২৮.৮.২০১৫)।বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির জাতীয় দৈনিক “মানবজমিন” সর্বপ্রথম তাদের পত্রিকার প্রধান শিরোনামে আনে নবাব সিরাজ উদ্দৌলা ও সৈয়দ গোলাম আব্বাস আরেব ও রফেন বাবজাদা আলি আব্বাস উদ্দৌলাকে, উক্ত পত্রিকার ২৯.৬.২০১২ তারিখে প্রকাশিত প্রধান শিরোনাম ছিল “নবাব সিরাজ উদ্দৌলার বংশধর ঢাকায়”। ‘নবাবিকেতা’-য় দৈনিক সমকাল পত্রিকার ফ্যাশান ও লাইফ স্টাইলপাতা “ শৈলি ” -তে ১৯.০৯.২০১৮ তারিখে নবাব সিরাজউদ্দৌলার ২৯১তম শুভজন্ম বার্ষিকী উদযাপন উৎসব উপলক্ষে দেশিয় ফ্যাশান হাউজ “কে-ক্র্যাফট” ও “ শৈলি ” ঐতিহ্যের সৌরভে মডেল হিসেবে তুলে ধরেন আমাকে, স্বাগত জানায় দেশবাসি।ঐতিহ্যের ছোঁয়ায় নতুন কিছু সুন্দর কিছু করবার জন্য শুকরিয়া তরুণ সাংবাদিক জনাব রনজু চৌধুরী (দৈনিকসমকাল – ‘শৈলী’) ও “কে-ক্র্যাফট”-ত্রর জনাব শাহজাদাখান স্বাধীন (উপ-মহাব্যাবস্থাপক) -কে।ইন্ডিয়ান নিউজ পেপার “দিন দর্পণ ” (সম্পাদকীয়পাতা, পাতা-৪) : ঢাকায় নবাবসিরাজ উদ্দৌলার বংশধর (২১.০৪.২০১৭)।বিদ্যা প্রকাশ ঢাকা থেকে প্রকাশিত “খবরেরনায়কেরা” ও “হাতের মুঠোয় সাংবাদিকতা”-গ্রন্থে সিনিয়র সাংবাদিক জনাব ফকরে আলম তার লিখনির মাধ্যমে আমার প্রতি সম্মাননা ও ভালোবাসা প্রদর্শন করেছেন।আমার লিখা ‘ মুর্শিদাবাদ ও সিরাজ পরিবার – বাংলার হারিয়ে যাওয়া ইতিহাস ‘ গ্রন্থটি দেশ বিদেশের বাংলা ভাষী পাঠক মহলে ব্যাপক সাড়া তুলেছে,বইটি দিব্য প্রকাশ ঢাকা বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত, এটি আমার লিখা ৭ম গ্রন্থ। ১৯.৯.২০১৭নবাবসিরাজউদ্দৌলার ২৯০ত মশুভজন্ম বার্ষিকী উদযাপন উৎসব উপলক্ষে, ঐতিহাসিক চট্টগ্রাম সম্মিলনে “বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা  স্মৃতি পরিষদ”…আমাকে সমাজিক, সাহিত্য ও গবেষণাক্ষেত্রে বিরল অবদানের জন্য সম্মাননা সনদে ভূষিত করেন।উক্ত সম্মাননা সনদটি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মেয়র জনাব আ.জ.মনাছির উদ্দিন (প্রধান উপদেষ্টা-বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা স্মৃতি পরিষদ) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড.ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী (উপদেষ্টা-বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা স্মৃতি পরিষদ); প্রফেসরড. জিনবোধিভিক্ষু (সভাপতি-বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা স্মৃতি পরিষদ), জনাব মো. আব্দুর রহিম (সাধারণ সম্পাদক- বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা স্মৃতি পরিষদ) কর্তৃক স্বাক্ষরিত।একে একে… বাংলাদেশ সমাজ উন্নয়ন ও তমদ্দুনী সাহিত্য মজলিশ, চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্র, চট্টগ্রাম মুসলমান সাহিত্য সমিতি, চট্টগ্রাম ইতিহাস চর্চাকেন্দ্র বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জনাব আলী মুকাররি মমুনীর মুর্তাযা ভীখোরা সানী (সভাপতি-বাংলাদেশ সমাজ উন্নয়ন ও তমদ্দুনীসাহিত্য মজলিশ); জনাবমো: আসিফইকবাল (সাধারণ সম্পাদক- চট্টগ্রাম সাহিত্যপাঠ চক্র); জনাব মো: আব্দুর রহিম (সভাপতি-চট্টগ্রাম সাহিত্যপাঠ চক্র); জনাব সোহেল মোঃ ফখরুদ-দীন (সভাপতি-চট্টগ্রাম ইতিহাস চর্চাকেন্দ্র ও চট্টগ্রাম মুসলমান সাহিত্য সমিতি); নতুন প্রজন্মের সিরাজ উদ্দৌলা হিসেবে আমাকে সম্মাননা সনদ, ক্রেস্ট, উত্তোরীয়, সম্মাননা স্মারক ও বিভিন্ন উপহার সামগ্রি-ঐতিহ্যের ভালবাসায় প্রদান করেন।নবাব সিরাজ উদ্দৌলার ২৯০তম শুভজন্ম বার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে আগত বক্তারা বলেন… “শাহজাদা আলি আব্বাজ উদ্দৌলা” দেশ-বিদেশে সামাজিক-রাজনৈতিক-সাহিত্য-সাংস্কৃতিক চর্চায় আপনি বিশেষ অবদান রেখেছেন। নিঃসন্দেহে আপনার এ অবদান কৃতিত্ব পূর্ণ। আপনি দেশ ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে গৌরবের প্রতীক।এসববৃহৎ কৃতিত্বের জন্য আপনাকে বাংলাদেশের দেশপ্রেমি চট্টগ্রাম বাসির পক্ষ থেকে “শাহজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা” উপাধিতে ভুষিত করা হলো (১৯.৯.২০১৭)। ১৯.৯.২০১৮ তারিখের নবাব সিরাজ  উদ্দৌলার ২৯১তম শুভজন্মবার্ষিকী উদযাপন উৎসবটি ২৫.৯.২০১৮-তে কেক কাটাও সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান ভবনে অনুষ্ঠিত হয়, অনুষ্ঠানেরআয়োজক “মাসাস” কর্তৃক…আমাকেসমাজ সংস্কৃতি ও গবেষণা ক্ষেত্রে বিরলঅবদানেরজন্যক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ দেওয়া হয়। এন. টিভি-র ‘জানার আছে বলার আছে’ ১৯.০৯.২০১২তারিখ পর্বে নবাব সিরাজ উদ্দৌলার ২৮৫তম জন্মদিনে নবাবের নবম বংশধর হিসেবে উপস্থিত ছিলাম, উক্ত অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত প্রধান অতিথি হিসেবে দর্শকরা দেখতে পান আমাকে।একই বছর ২৯/১০/২০১২-তে চ্যানেল আই এবং রেডি ও ভূমি৯২.৮এফ. এম -এ প্রচারিত জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’তে নবাবের নবম বংশধর হিসেবে উপস্থিত ছিলাম। ২.৭.২০১৫-তে মোহনা টিভির সংবাদে প্রচারিত হয়েছে আমার সাক্ষাৎকার। ১৯.৯.২০১৬ তারিখ নবাব সিরাজ উদ্দৌলার ২৮৯তম শুভজন্মদিনে নবাবের নবম বংশধর হিসেবে আর. টিভি ও মাছরাঙ্গা টেলিভিশন সংবাদে প্রচারিত হয়েছে আমার সাক্ষাৎকার। ২৩.৯.২০১৬তারিখ মাছরাঙ্গা টেলিভিশন -এর “মাছরাঙ্গা বিশেষ”-এ প্রচারিত হয়েছে “সিরাজি নিশানা” উক্ত অনুষ্ঠানে নবাবের নবম বংশধর হিসেবে দর্শকরা দেখতে পান আমাকে।১০. ১১.২০১৬; ১১. ১১.২০১৬; ১২. ১১.২০১৬; ২.৭.২০১৭; ১৯.৯.২০১৭ – তে এস এ.টিভি’র সংবাদে প্রচারিত হয়েছে আমার সাক্ষাৎকার।২.৭.২০১৭ – তে ইন্ডিপেনডেন্ট টিভি’র সাংস্কৃতিক সংবাদ ‘রঙ্গ মঞ্চ’-তে প্রচারিত হয়েছে আমার সাক্ষাৎকার।আমার সাক্ষাৎকার প্রচারিত হয়েছে, ২৩জুনও ২ জুলাই ২০১৯তারিখের জে টিভি বাংলার সংবাদ গুলোতে। ১৯.৯.২০১৮তারিখ নবাব সিরাজ উদ্দৌলার ২৯১তম শুভজন্ম দিনে নবাবের নবম বংশধর হিসেবে চ্যানেল টুয়েন্টিফোর সংবাদেপ্র চারিত হয়েছে আমার সাক্ষাৎকার।বাংলাদেশের বেসরকারি টি.ভি চ্যানেল এস এ. টিভি –র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকিতে (১৯ জানুয়ারি ২০১৭) ক্রেস্ট দিয়ে আমাকে সম্মানিত করেছেন এস এ.টিভি –র এম.ডি মহোদয় জনাব সালাউদ্দিন আহমেদ।ভালোবাসা। নবাবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা :সমাজের সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসায় আমিমুগ্ধ।বাংলাদেশের প্রিন্টমিডিয়া এবং ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার অসংখ্য প্রচারণায় আমাকে দেখে, তৃণমূলের শ্রমিক শ্রেণীর মানুষ এবং নতুন প্রজন্মের শিক্ষারর্থীদের অনেকেই আমাকে নবাব / সিরাজউদ্দৌলা/ নবাবজাদা বলে জড়িয়ে ধরেন।আর আবেগ আপ্লূত হয়ে বলেন, আপনিই বাংলার বীর নবাব সিরাজউদ্দৌলার সন্তান, আপনিই আমাদের ঐতিহ্যের যুবরাজ নতুন প্রজন্মের সিরাজউদ্দৌলা, আপনিই আমাদের বাংলার ঐতিহ্য ও গর্ব, আপনিই বাংলার প্রকৃত যুবরাজ।এই ভালোবাসায় মুগ্ধহয়ে এক কথায় বলতে চাই- শতকোটি সালাম জানাই বাংলার সকল দেশপ্রেমী জনতাকে, শতকোটি সালাম জানাই বাংলার সকল দেশপ্রেমী মিডিয়াকে।হ্যাঁ আরও ১টি কথা – ২৩ জুন ২০১৪ সালে ঢাকা প্রেসক্লাব-এ অনুস্থিত পলাশী দিবস অনুষ্ঠানে উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাবেক সেনা কর্মকর্তারা আমাকে “ নবাবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা ” উপাধিতে সম্মানিত করেন, অনুষ্ঠানটির আয়েজক ছিল “ সেন্টার ফর মিলিটারি হিসট্রি ”।১৫/৭/২০১১-তে জনপ্রিয় ইংলিশ পত্রিকা “দ্যা ডেইলি সান“ ঢাকার তরুন নবাব ” উপাধিতে সম্মানিত করে আমাকে।তাই তো বলি বাংলার সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান, বাংলার স্বাধীনতার জন্য জীবন দানকারি প্রথম বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর্জামোহাম্মদ সিরাজউদ্দৌলা বাদশাহ কুলিখান হায়বতজঙ বাহাদুরের সোনার বাংলার ভালোবাসায়, সত্যিআমিমুগ্ধ। ঐতিহ্যের তরুণ কণ্ঠ বর্তমান প্রজন্মকে কি বলতে চান?  নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা : মা, মাটি, দেশকে মনে প্রাণে সততার সহিত শ্রদ্ধার সহিত ভালোবাসতে হবে, তথা সর্বাগ্রে নিজস্ব সংস্কৃতিকে অন্তরে ধারণ করে তাকে সমৃদ্ধ করতে হবে তবেই অপসংস্কৃতি অনুপ্রবেশ করতে পারবেনা আমাদের মাঝে, আর অবশ্যই বাংলার সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান বাংলার স্বাধীনতার জন্য জীবনদানকারি শীর্ষের প্রথম বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর্জা মোহাম্মদ সিরাজউদ্দৌলা বাদশাহ কুলি খান হায়বত জঙ বাহাদুর সহ যাদের রক্তস্নাত আত্মত্যাগের এই বাংলাদেশ, তাদের যেন ভুলে না যাই। আর অবশ্যই যেন ভুলে না যাই কুলাঙ্গার মীরজাফর আর বিশ্ব বেঈমান বিশ্বাসঘাতকদের কলুশিত ইতিহাস। সঠিক ইতিহাস সবাইকেই জানতে হবে এবং সেখান থেকে শিক্ষা নিতে হবে যেন ভবিষ্যৎ পথ শত্রুর না হয়।* বিশিষ্ট সাংবাদিক ফকরে আলম : আজওখুঁজেফিরেন ? ♥ নবাবজাদা আব্বাসউদ্দৌলা :চারিদিকশুধুই… মিথ্যা, ছল, চাতুরী, স্বার্থপরতা, বেঈমান, বিশ্বাসঘাতক চক্রদের লীলাখেলা !!!! তাইতো আজও খুঁজে ফিরি…নতুনের মাঝে সেই সব ভালোবাসার মানুষদের।বেগমলুৎফুন্নিসা, মীরমারদ্দান, মোহনলাল, ক্যাপটেন নৌয়েসিংহাজরা, সিনফ্রে, বাহাদুর আলীখান।কোথায় আপনারা…নতুনদের মাঝে খুঁজে ফিরি আপনাদের, শুধুই আপনাদের…স্মরণীয় কাজ করে যুগেযুগে প্রতি যুগে বাংলার সকল দেশপ্রেমী হৃদয়ের ভালবাসায় হৃদ মাঝারে অমর হয়ে থাকতে চাই।

তাই সুন্দর হৃদয়ের সকলে নিজ পরিবারের অংশ করুন আমাকে। আসুন আমরা সকলে প্রকৃতি-পরিবেশ, ইতিহাস-ঐতিহ্য, দেশ-সমাজ, পরিবারকে ভালোবাসি হৃদয় থেকে আর দেশকে ভালোবেসে দেশের বৃহৎ স্বার্থে এক সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করি, একাত্মতা প্রকাশ করি বাংলার বীর দেশপ্রেমিক নবাব সিরাজউদ্দৌলার আদর্শ চেতনায়। ফেস বুক ও ইউ টিউব আইডি :– Shab Plus, যে কেউ সম্পৃক্ত হতে পারেন আমার সাথে আমাদের সাথে ভালোবাসার বন্ধনে ঐতিহ্যের নতুন ইতিহাস রচনা করতে। বন্ধুরা এইতো আমার জীবনের কিছু গল্পকথা।শুভকামনায় সুখে দুঃখে পাশে থাকবেন, এই আশায় আমিআপনাদের আপনজন, বাংলার আপনজন- নবাবজাদা আলি আব্বাসউদ্দৌলা বাংলার বীর দেশপ্রেমী নবাব সিরাজউদ্দৌলার ৯ম রক্তধারা প্রজন্ম।

এম কে ইসলাম/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category