কাশ্মীরের উন্নয়নের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল

বিপ্রদ্বীপ দাস, (হুগলি, কলকাতা, ভারত): ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের পর জম্মু-কাশ্মীরের সার্বিক উন্নয়নই এখন কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধান লক্ষ্য। আর সেই লক্ষ্য পূরণে মঙ্গলবার শ্রীনগর পৌঁছল কেন্দ্রের একটি বিশেষ দল। এই দল উপত্যকায় সরকারি প্রকল্পগুলি কার্যকর করার সম্ভাবনা পর্যালোচনা করবে বলে খবর।

এই দলে আছেন সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রকের সচিব শৈলেশ, যুগ্ম সচিব (প্রধানমন্ত্রী জন বিকাশ কার্যক্রম) নিগার ফতিমা, জাতীয় সংখ্যালঘু উন্নয়ন এবং অর্থ কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর শাহবাজ আলি এবং কেন্দ্রীয় ওয়াকফ পর্ষদের সচিব এস এ এস নাকভি। এদিন সকালের বিমানে তাঁরা শ্রীনগর পৌঁছন। তার আগে নাকভি বলেন, ‘উন্নয়নের সম্ভাবনার দিকগুলির উন্মেচন করবে এই দল। যেমন কোথায় স্কুল, কলেজ, দক্ষতা বৃদ্ধি সেন্টার খোলা যায় ইত্যাদি।’ পাশাপাশি, জম্মু-কাশ্মীরের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে একাধিক প্রকল্পের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখবেন তাঁরা।

এদিকে জম্মু-কাশ্মীরের প্রশাসন দাবি করল, ক্রমশ স্বাভাবিক হচ্ছে উপত্যকা। বুধবার থেকে অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে যাবে। এব্যাপারে জম্মু এবং কাশ্মীরের শিক্ষা অধিকর্তা ইউনুস মালিক জানান, ‘ইতিমধ্যেই ৩ হাজার ৩৭টি প্রাথমিক স্কুল এবং ৭৭৪টি উচ্চবিদ্যালয় খোলা হয়েছে। বুধবার বাকি উচ্চবিদ্যালয়গুলি খুলে যাবে।’ স্কুল খুললেও ক্লাসে হাজিরার সংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য। এনিয়ে ইউনুস মালিকের বক্তব্য, ‘পরিস্থিতি বদলেছে। পড়ুয়াদের পাশাপাশি শিক্ষকদের হাজিরাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।’ কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে অবশ্য অন্য বক্তব্যও আছে। তথ্য এবং জনসংযোগ অধিকর্তা সইদ শাহরিশ আসগার দাবি করেছেন, ‘কেউ বলছে না সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে। লেনদেন বেড়েছে। বিএসএনএল(BSNL Telecommunication) আশ্বাস দিয়েছে, কয়েক দিনের মধ্যেই লাইন চালু হয়ে যাবে।’

এম কে ইসলাম/

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category